শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাটোরে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর মিলল শিশু আবিরের মরদেহ

নাটোরের বড়াইগ্রামে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর মিনহাজ হোসেন আবির (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে বনপাড়া পৌরসভার মহিষভাঙ্গা এলাকার একটি মসলার মিলের পাশে ভুট্টার  ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আবির বড়াইগ্রাম উপজেলার মহিষভাঙ্গা এলাকার মিলন হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টার দিকে সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় আবির। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। সন্ধ্যার দিকে তার বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বনলতা মসলা ফ্যাক্টরির পাশে রক্তমাখা সাইকেল দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাশের ভুট্টা ক্ষেতে পাওয়া যায় শিশুটির মরদেহ।’’

ওসি আরও বলেন, ‘‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আমরা কাজ করছি।’’

শিশুটির বাবা মিলন হোসেন বলেন, ‘‘আমার একমাত্র ছেলেকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নাটোরে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর মিলল শিশু আবিরের মরদেহ

প্রকাশিত সময় : ১০:৪৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

নাটোরের বড়াইগ্রামে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর মিনহাজ হোসেন আবির (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে বনপাড়া পৌরসভার মহিষভাঙ্গা এলাকার একটি মসলার মিলের পাশে ভুট্টার  ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আবির বড়াইগ্রাম উপজেলার মহিষভাঙ্গা এলাকার মিলন হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেনের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার হোসেন বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টার দিকে সাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় আবির। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। সন্ধ্যার দিকে তার বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বনলতা মসলা ফ্যাক্টরির পাশে রক্তমাখা সাইকেল দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পাশের ভুট্টা ক্ষেতে পাওয়া যায় শিশুটির মরদেহ।’’

ওসি আরও বলেন, ‘‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আমরা কাজ করছি।’’

শিশুটির বাবা মিলন হোসেন বলেন, ‘‘আমার একমাত্র ছেলেকে যারা হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’