রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য এখন একটাই—২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে। যেটা তারেক রহমানের সাথে লন্ডনের বৈঠকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন। এর কোনো ব্যতিক্রম হবে না। ষড়যন্ত্রকারীরা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে যেন নির্বাচন না হয়।”

সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার এবং মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে সোহাগ হত্যাসহ সারা দেশে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বিএনপির মহাসচিব বলেছেন, “মিটফোর্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি রাজনৈতিক দল, কয়েকটি চক্র দেশের রাজনীতিকে একেবারে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। এ চক্রান্ত নতুন নয়। এ ষড়যন্ত্র নতুন নয়। যখনই বাংলাদেশের মানুষ উঠে দাঁড়াতে চেয়েছে, মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চেয়েছে, ঠিক সে সময়ই ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে আবার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।”

তিনি বলেন, “অশ্লীল ভাষায় আমার নেতা তারেক রহমান সম্পর্কে তারা কথা বলেছে, স্লোগান দিয়েছে। তারা ভেবেছিল, কথাগুলো বললে, স্লোগান দিলে বিএনপি বোধহয় ঘরের মধ্যে ঢুকে যাবে। বিএনপি বারবার সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে, সমস্ত আঘাত প্রতিহত করে উঠে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি হচ্ছে ফিনিক্স পাখির দল।”চক্রা

ন্তকারীদের পরিকল্পনা অত্যন্ত ভয়াবহ, উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশে আবার একটা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা, অস্থিরতা সৃষ্টি করা, বিভাজন সৃষ্টি করা, যেখানে গণতন্ত্র আবার কবর রচিত হবে। ভয়াবহ ফ্যাসিস্টকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে ছাত্র-জনতা, ফিরিয়ে আনার জন্য নয়। পরিষ্কার ঘোষণা— আমরা যেভাবে ফ্যাসিস্টকে বিতাড়িত করতে পেরেছি, কোনোদিন যেন আবার ফ্যাসিস্ট চালু হতে না পারে, ঠিক সেভাবেই জনগণকে সাথে নিয়ে তার ব্যবস্থা অবশ্যই আমরা করব।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা কারো পাতা ফাঁদে যেন পা না দেই। তারা চেষ্টা করছে, আমাদেরকে উত্তেজিত করে তাদের পাতা ফাঁদে পা দেওয়ার জন্য। আমরা যেন উত্তেজিত না হই, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্র চাই।”

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হতে হবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত সময় : ১০:০২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমাদের লক্ষ্য এখন একটাই—২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে। যেটা তারেক রহমানের সাথে লন্ডনের বৈঠকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন। এর কোনো ব্যতিক্রম হবে না। ষড়যন্ত্রকারীরা চেষ্টা করছে, বাংলাদেশে যেন নির্বাচন না হয়।”

সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার এবং মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে সোহাগ হত্যাসহ সারা দেশে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বিএনপির মহাসচিব বলেছেন, “মিটফোর্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি রাজনৈতিক দল, কয়েকটি চক্র দেশের রাজনীতিকে একেবারে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। এ চক্রান্ত নতুন নয়। এ ষড়যন্ত্র নতুন নয়। যখনই বাংলাদেশের মানুষ উঠে দাঁড়াতে চেয়েছে, মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চেয়েছে, ঠিক সে সময়ই ষড়যন্ত্রকারীরা দেশকে আবার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।”

তিনি বলেন, “অশ্লীল ভাষায় আমার নেতা তারেক রহমান সম্পর্কে তারা কথা বলেছে, স্লোগান দিয়েছে। তারা ভেবেছিল, কথাগুলো বললে, স্লোগান দিলে বিএনপি বোধহয় ঘরের মধ্যে ঢুকে যাবে। বিএনপি বারবার সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে, সমস্ত আঘাত প্রতিহত করে উঠে দাঁড়িয়েছে। বিএনপি হচ্ছে ফিনিক্স পাখির দল।”চক্রা

ন্তকারীদের পরিকল্পনা অত্যন্ত ভয়াবহ, উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “বাংলাদেশে আবার একটা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা, অস্থিরতা সৃষ্টি করা, বিভাজন সৃষ্টি করা, যেখানে গণতন্ত্র আবার কবর রচিত হবে। ভয়াবহ ফ্যাসিস্টকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে ছাত্র-জনতা, ফিরিয়ে আনার জন্য নয়। পরিষ্কার ঘোষণা— আমরা যেভাবে ফ্যাসিস্টকে বিতাড়িত করতে পেরেছি, কোনোদিন যেন আবার ফ্যাসিস্ট চালু হতে না পারে, ঠিক সেভাবেই জনগণকে সাথে নিয়ে তার ব্যবস্থা অবশ্যই আমরা করব।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা কারো পাতা ফাঁদে যেন পা না দেই। তারা চেষ্টা করছে, আমাদেরকে উত্তেজিত করে তাদের পাতা ফাঁদে পা দেওয়ার জন্য। আমরা যেন উত্তেজিত না হই, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্র চাই।”

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু প্রমুখ।