পাবনার সুজানগরে বিএনপির দুইপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনার একটি মামলায় জামিন নিতে গেলে ১২ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের (আমলি আদালত-২) বিচারক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন, তাতিবন্ধ ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি গোলাম আজম (৫২), ভবানীপুর গ্রামের মো. ফারুক শেখ (৩৫), কামারদুলিয়া গ্রামের রুহুল আমিন (৩৭), ভবানিপুরের জাবেদ (৩২), ক্রোড়কদুলিয়ার রঞ্জু খাঁ (৩২), আইযুব আলী (৩২), উদয়পুর গ্রামের রাজ্জাক বিশ্বাস (৪২),হাসু বিশ্বাস (২৮), চন্ডিপুরের বিল্লাল শেখ (৩২), ক্রোড়দুলিয়ার শরিফুল ইসলাম (২৮), মধুপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মজিবর রহমান খান (৪৭), কামারদুলিয়ার সাইফুল ইসলাম (২৮)। এরা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফের অনুসারী বলে জানা গেছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরের দিকে পাবনা জেলা বিএনপিরর সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকারের মাধ্যমে চিফ জুডিশিয়াল মেজিস্ট্রেটের বিচারক মো. মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে জামিন আবেদন করা হয়। ৩৩ জন আসামির মধ্যে প্রথমে ১৩ জনকে আদালতে তোলা হয়। পরিস্থিতি বুঝে বাকিদের আদালতে তোলার পরিকল্পনা থাকে। ১৩ জনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা থাকায় জামিন মঞ্জুর করা হয়। বাকিদের জামিন নামঞ্জুর করে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ সময় বাকি নেতাকর্মীরা পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দ্রুত সটকে পড়েন।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘প্রথমে ১৩ জনের জামিন ধরা হয়েছিল। ১২ জনকে জামিন নামঞ্জুর করে পাবনা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।’
উল্লেখ্য, গত ৯ জুলাই সুজানগর পৌর বাজারের নন্দিতা সিনেমা হলের সামনে বিএনপি দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়। এ ঘটনায় সুজানগর থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

পাবনা প্রতিনিধি 

























