স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বরেন্দ্র সচেতন সমাজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শনিবার দুপুর ১টা২০ মিনিট কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানটির উপ- উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন বৃক্ষরোপণের উদ্বোধন করবেন। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রায়হান রোহান ।
গাছের চারা রোপণ শেষে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন আজ বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মানুষ যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ করে এবং যত্নসহকারে সেটিকে বড় করে তোলে, তাহলে আমরা একটি সবুজ ও টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে পারব।”
অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বরেন্দ্র সচেতন সমাজ, গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশন। সংগঠনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সংগঠনটি সারা দেশে যে এই কর্মসূচি পালন করছে সেগুলো নিঃসন্দেহে মানবিক এবং পরিবেশবান্ধব। আমি সাধুবাদ জানাই এমন মহতী উদ্যোগকে। সেই সঙ্গে ‘ বরেন্দ্র সচেতন সমাজ পরিবারকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর প্রফেসর মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন গাছের উপকার বলে শেষ করতে পারব না। গাছ আমাদের পরম বন্ধু। এ উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকে আরও গুরুত্ব দেবে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকল্পের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো: মনোয়ার হোসেন উৎপল বলেন, মতিহারের চত্বরের সবুজ গাছ থাকবে এটাই স্বভাবিক, বেশি বেশি গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান,জলবায়ু পরিবর্তনে ভারসাম্য রক্ষার জন্য বেশি করে গাছ লাগান।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রায়হান রোহান বলেন পরিবেশ আজ আমাদের কাছ থেকে দায়বদ্ধতা চায়। একসময় সবুজে ঢাকা যে পৃথিবী ছিল, তা আজ বিপন্ন। সময় এসেছে তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন গড়ে তোলার। জুলাই মাসে নগরীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ করার ও সকল স্বেচ্ছাসেবককে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আমগাছ, জামগাছ, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া, নিম, বট, পাকুড়, লেবু কড়ইসহ অনেক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয় । বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশন সদস্যদের।
এ সময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র সচেতন সমাজ সাংগঠনিক সম্পাদক আল- আমিন, সদস্য মো: বানীসহ পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সহযোগিতায় ছিল গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশন।

রায়হান রোহানঃ 

























