সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে জয়ে শুরু বাংলাদেশের

ভিয়েনতিয়েনের আকাশে ছিল বাংলাদেশি মেয়েদের বিজয়ের রঙ। অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই লাওসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল। নিউ লাওস ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বুধবারের (০৬ আগস্ট) ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন সাগরিকা। আর একটি গোল এসেছে মুক্তির পা থেকে।

ম্যাচের ৩৬ মিনিটে শান্তি মার্ডির কর্নার থেকে সাগরিকার হেডে আসে প্রথম গোল। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে ৮ গোল করে আলো ছড়ানো এই তরুণী আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু প্রতিভাবান নন, ধারাবাহিকও।

প্রথমার্ধে আরও একটি গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন সিনহা জাহান শিখা। কিন্তু তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৮ মিনিটে মুক্তির নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। যদিও ৮৬ মিনিটে লাওস একটি গোল শোধ করে। ইনজুরি টাইমে সাগরিকার দ্বিতীয় গোলটি নিশ্চিত করে বাংলাদেশের জয়।

আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে লাওস (১০৭) বাংলাদেশের (১২৮) চেয়ে এগিয়ে থাকলেও মাঠে তার ছাপ ছিল না। এটি ছিল দুই দলের প্রথম মুখোমুখি লড়াই। যেখানে বাংলাদেশ নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।

‘এইচ’ গ্রুপে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ৮ আগস্ট, প্রতিপক্ষ পূর্ব তিমুর। দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে পূর্ব তিমুরকে ৯-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে। যা গ্রুপের শক্তির ভারসাম্য বুঝিয়ে দেয়। তবে বাংলাদেশ যদি শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারে, তাহলে ইতিহাস রচনার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এমনকি দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও মূলপর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। কারণ, সেরা তিন রানার্স-আপ দল থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য মূল আসরে জায়গা পাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে জয়ে শুরু বাংলাদেশের

প্রকাশিত সময় : ০৪:২৭:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

ভিয়েনতিয়েনের আকাশে ছিল বাংলাদেশি মেয়েদের বিজয়ের রঙ। অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই লাওসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল। নিউ লাওস ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বুধবারের (০৬ আগস্ট) ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন সাগরিকা। আর একটি গোল এসেছে মুক্তির পা থেকে।

ম্যাচের ৩৬ মিনিটে শান্তি মার্ডির কর্নার থেকে সাগরিকার হেডে আসে প্রথম গোল। সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে ৮ গোল করে আলো ছড়ানো এই তরুণী আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু প্রতিভাবান নন, ধারাবাহিকও।

প্রথমার্ধে আরও একটি গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন সিনহা জাহান শিখা। কিন্তু তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৮ মিনিটে মুক্তির নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। যদিও ৮৬ মিনিটে লাওস একটি গোল শোধ করে। ইনজুরি টাইমে সাগরিকার দ্বিতীয় গোলটি নিশ্চিত করে বাংলাদেশের জয়।

আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে লাওস (১০৭) বাংলাদেশের (১২৮) চেয়ে এগিয়ে থাকলেও মাঠে তার ছাপ ছিল না। এটি ছিল দুই দলের প্রথম মুখোমুখি লড়াই। যেখানে বাংলাদেশ নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।

‘এইচ’ গ্রুপে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ৮ আগস্ট, প্রতিপক্ষ পূর্ব তিমুর। দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে পূর্ব তিমুরকে ৯-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে। যা গ্রুপের শক্তির ভারসাম্য বুঝিয়ে দেয়। তবে বাংলাদেশ যদি শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারে, তাহলে ইতিহাস রচনার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এমনকি দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও মূলপর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। কারণ, সেরা তিন রানার্স-আপ দল থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য মূল আসরে জায়গা পাবে।