রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের গেটে ‘হেল্প হেল্প’ বলে ডেকে বাংলা বিভাগের সহকারী শিক্ষক মারুফ কারখীকে ছুরি মারার ঘটনায় ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা হয়েছে। বুধবার মামলার পর বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে আদালতের নির্দেশে ওই ছাত্রীকে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অবস্থিত কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষক মারুফ কারখী বাদি হয়ে মামলা করেছেন। রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক ওই ছাত্রী গত ১৯ আগস্ট শিক্ষক মারুফের গলা ও হাতে ছুরি দিয়ে জখম করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, আগে ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে পড়তো ওই ছাত্রী। উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে ২০২৩ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দিয়েছে। এ কারণে ওই ছাত্রী স্কুলের শিক্ষকদের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলো। বর্তমানে সে রাজশাহীর শহীদ কর্নেল কাজী ইমদাদুল হক পাবলিক স্কুলে (বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড স্কুল) দশম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত।

রায়হান রোহানঃ 

























