শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদাপাথর ফেরত দিতে ডিসি সারওয়ারের আলটিমেটাম

সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে লুট হওয়া পাথর মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যার মধ্যে নিজ উদ্যোগে, নিজে খরচে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ সময়ের পর কারো কাছে সাদাপাথর পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম।

এই পাথর উদ্ধার ও প্রতিস্থাপনের কাছে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য কোম্পানীগঞ্জ ও সিলেট সদর উপজেলার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ডিসি সারওয়ার জানান, এখনো কোম্পানীগঞ্জ ও সিলেট সদর উপজেলায় কিছু পাথর অনেকে লুকিয়ে রেখেছেন। এসব পাথর উদ্ধারে শনিবার এ দুই উপজেলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করা হয়েছে। সভাশেষে তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যার মধ্যে রয়েছে- মঙ্গলবার বিকাল ৫টার মধ্যে যাদের কাছে এখনো সাদাপাথর আছে তারা নিজ খরচে, নিজ উদ্যোগে ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর এলাকায় পৌঁছে দেবেন। যেহেতু জনপ্রতিনিধিরা সরকারের অংশ তাই এ পাথর উদ্ধারে তাদেরও দায় রয়েছে। যার যার এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে পাথর ভোলাগঞ্জে পৌঁছানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন তারা।

ইতোমধ্যে এ দুই উপজেলায় মাইকিং করে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এই সময়ের পর যার কাছে সাদা পাথর পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি নির্ধারিত সময়ের পর যে এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাথর পাওয়া যাবে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সারওয়ার আলম।

তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়ার মধ্যেই পাথর লুটের মূলহোতাদের আইনের আওতায় আনার কাজও চলবে।

 

সূত্র: যুগান্তর

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাদাপাথর ফেরত দিতে ডিসি সারওয়ারের আলটিমেটাম

প্রকাশিত সময় : ১১:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে লুট হওয়া পাথর মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যার মধ্যে নিজ উদ্যোগে, নিজে খরচে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ সময়ের পর কারো কাছে সাদাপাথর পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম।

এই পাথর উদ্ধার ও প্রতিস্থাপনের কাছে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য কোম্পানীগঞ্জ ও সিলেট সদর উপজেলার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ডিসি সারওয়ার জানান, এখনো কোম্পানীগঞ্জ ও সিলেট সদর উপজেলায় কিছু পাথর অনেকে লুকিয়ে রেখেছেন। এসব পাথর উদ্ধারে শনিবার এ দুই উপজেলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করা হয়েছে। সভাশেষে তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যার মধ্যে রয়েছে- মঙ্গলবার বিকাল ৫টার মধ্যে যাদের কাছে এখনো সাদাপাথর আছে তারা নিজ খরচে, নিজ উদ্যোগে ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর এলাকায় পৌঁছে দেবেন। যেহেতু জনপ্রতিনিধিরা সরকারের অংশ তাই এ পাথর উদ্ধারে তাদেরও দায় রয়েছে। যার যার এলাকায় খোঁজ খবর নিয়ে পাথর ভোলাগঞ্জে পৌঁছানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন তারা।

ইতোমধ্যে এ দুই উপজেলায় মাইকিং করে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এই সময়ের পর যার কাছে সাদা পাথর পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি নির্ধারিত সময়ের পর যে এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাথর পাওয়া যাবে ওই এলাকার জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সারওয়ার আলম।

তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়ার মধ্যেই পাথর লুটের মূলহোতাদের আইনের আওতায় আনার কাজও চলবে।

 

সূত্র: যুগান্তর