বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজেদুল ইসলাম ওরফে ইজদার (৪৫) নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সাজেদুল ইসলামের বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা এলাকায়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৩ আগস্ট রাতে সাজেদুল ইসলামের বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

সাজেদুল ইসলামের ভাই রবিউল ইসলাম জানান, সাজেদুল আম ও কাঠের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার প্রয়োজনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে সুদের ওপর ঋণ নিয়ে ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প জমা দেন। কিন্তু ব্যবসায় বিপুল লোকসান হওয়ায় ঋণ শোধ করতে পারেননি। পরবর্তী সময় চেক প্রতারণার চারটি মামলায় তিনি দণ্ডিত হন। এর মধ্যে এক মামলায় এক বছর, আরও একটিতে ছয় মাস, তৃতীয়টিতে চার মাস ও চতুর্থ মামলায় পাঁচ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হয়।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান বলেন, সাজেদুল হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। কারা বিধি অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে তাঁর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আগামী ২৬ নভেম্বর তাঁর সাজার মেয়াদ শেষ হতো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন কর্মসূচি দৃশ্যমান হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

রাজশাহী কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

প্রকাশিত সময় : ০৫:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে সাজেদুল ইসলাম ওরফে ইজদার (৪৫) নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সাজেদুল ইসলামের বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা এলাকায়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৩ আগস্ট রাতে সাজেদুল ইসলামের বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। এ সময় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

সাজেদুল ইসলামের ভাই রবিউল ইসলাম জানান, সাজেদুল আম ও কাঠের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার প্রয়োজনে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে সুদের ওপর ঋণ নিয়ে ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প জমা দেন। কিন্তু ব্যবসায় বিপুল লোকসান হওয়ায় ঋণ শোধ করতে পারেননি। পরবর্তী সময় চেক প্রতারণার চারটি মামলায় তিনি দণ্ডিত হন। এর মধ্যে এক মামলায় এক বছর, আরও একটিতে ছয় মাস, তৃতীয়টিতে চার মাস ও চতুর্থ মামলায় পাঁচ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হয়।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান বলেন, সাজেদুল হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। কারা বিধি অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে তাঁর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আগামী ২৬ নভেম্বর তাঁর সাজার মেয়াদ শেষ হতো।