সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হত্যা মামলার আসামি খুন, একজন গ্রেপ্তার

রাজশাহীতে হত্যা মামলার আসামিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। তাঁর নাম মো. ফয়সাল (২৬)। তিনি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার হোজা অনন্তকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। র‍্যাব-৫-এর রাজশাহী সিপিএসসির একটি দল আজ মঙ্গলবার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার আগলা গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

পরে এক বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, গত ১৪ মে দুর্গাপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে মারামারির ঘটনায় হাসিবুর নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় ১৫ মে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। এ মামলার এজাহারনামীয় আসামি ছিলেন ওয়াজেদ আলি নামের এক ব্যক্তি। তিনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

১০ আগস্ট ওয়াজেদ আলি তাঁর ছেলেকে নিয়ে হোজা বিলে নিজের পানবরজে কাজ করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের কমপক্ষে ৩০-৩৫ জন লাঠি, লোহার রড, হাঁসুয়া ও রামদা দিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং গুরুতর জখম করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওয়াজেদ আলি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত ওয়াজেদ আলির স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

হত্যা মামলার আসামি খুন, একজন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫

রাজশাহীতে হত্যা মামলার আসামিকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। তাঁর নাম মো. ফয়সাল (২৬)। তিনি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার হোজা অনন্তকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। র‍্যাব-৫-এর রাজশাহী সিপিএসসির একটি দল আজ মঙ্গলবার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার আগলা গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

পরে এক বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, গত ১৪ মে দুর্গাপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে মারামারির ঘটনায় হাসিবুর নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় ১৫ মে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। এ মামলার এজাহারনামীয় আসামি ছিলেন ওয়াজেদ আলি নামের এক ব্যক্তি। তিনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

১০ আগস্ট ওয়াজেদ আলি তাঁর ছেলেকে নিয়ে হোজা বিলে নিজের পানবরজে কাজ করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের কমপক্ষে ৩০-৩৫ জন লাঠি, লোহার রড, হাঁসুয়া ও রামদা দিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং গুরুতর জখম করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওয়াজেদ আলি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত ওয়াজেদ আলির স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।