বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীর চারঘাটে বর্ণাঢ্য র্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৯৭৮ সালের এই দিনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। দিবসটি ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। উপজেলা জুড়ে প্রধান সড়ক, মোড় ও অলিগলি সজ্জিত হয় ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় চারঘাট পাইলট স্কুল মাঠ থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চারঘাট বাজারে গিয়ে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল শাখার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি (রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত), রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক, রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুগ্ম সম্পাদক এবং রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন উজ্জল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুরাদ পাশা, সাংগঠনিক সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জীবন, চারঘাট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মতিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবাইদুল হক মিতুল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাশেদুজ্জামান তিতাস, রাজশাহী জেলা সংগ্রামী দলের সভাপতি মো. মওদুদ আহমেদ মধু, রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবু সায়েম মো. রাজিবসহ উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
র্যালি-পরবর্তী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন উজ্জল বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে গেলে দেশে শান্তির পরিবেশ ফিরে আসে। মানুষ এটিকে দ্বিতীয় বিজয় দিবস হিসেবে দেখছে। বিএনপিও আজ স্বস্তির পরিবেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা সবাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক। তাঁর ন্যায়নীতি, সততা এবং দেশপ্রেম আমাদের পথপ্রদর্শক। তারেক রহমান স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন—চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দখলবাজি, জুলুম ও নির্যাতন মেনে নেওয়া হবে না। আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে।”
অনুষ্ঠান শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য কামনা করে দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

রায়হান রোহানঃ 






















