রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তৃতীয় দিনের মতো কমপ্লিট শাটডাউন

  • রায়হান রোহানঃ
  • প্রকাশিত সময় : ০৫:১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা ইস্যুকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তৃতীয় দিনের মতো শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন চলছে। এর ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো ক্যাম্পাস।

ক্লাস পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থী হল ও মেসে থেকে বাড়ি চলে যাওয়ায় পুরো ক্যাম্পাস ফাঁকা হয়ে পড়েছে। এদিকে, চলমান সংকট নিরসনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার আগে শিক্ষক- কর্মকর্তা কর্মচারিরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। তবে তারা কর্মস্থনে না গিয়ে জড়ো হন শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে। ফলে কার্যত অচল হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম।

দৃশ্যমান দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও পোষ্য কোটা না দেখা পর্যন্ত তারা তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

রাকসু নির্বাচনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অচলাস্থার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে শিক্ষকরা।

এদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এছাড়াও শিক্ষকদেরও আলোচনার আহবান জানিয়েছেন উপাচার্য। তবে জরুরি কাজে উপচার্য ঢাকায় চলে যাওয়ার সে বৈঠক হয়নি।

৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার ছুটি আছে। তার আগে এই কমপ্লিট শাটডাউনের কারণে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থী আগেভাগেই বাড়িতে চলে যাচ্ছে। এই কারণে পুরো ক্যাম্পাস ফাঁকা হয়ে পড়েছে।

এর আগে ২০ অক্টোবর পোষ্য কোটা পুনর্বহাল নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। যার রেশ ধরেই এই লাগাতার কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এমন পরিস্থিতিতে সোমবার বিকাল ৫টায় রাকসু নির্বাচন কমিশনার জরুরি সভা করে নির্বাচনের তারিখ পেছান। আগামী মাসের ১৬ অক্টোবর ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

তৃতীয় দিনের মতো কমপ্লিট শাটডাউন

প্রকাশিত সময় : ০৫:১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা ইস্যুকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তৃতীয় দিনের মতো শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন চলছে। এর ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে পুরো ক্যাম্পাস।

ক্লাস পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থী হল ও মেসে থেকে বাড়ি চলে যাওয়ায় পুরো ক্যাম্পাস ফাঁকা হয়ে পড়েছে। এদিকে, চলমান সংকট নিরসনে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার আগে শিক্ষক- কর্মকর্তা কর্মচারিরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। তবে তারা কর্মস্থনে না গিয়ে জড়ো হন শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে। ফলে কার্যত অচল হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম।

দৃশ্যমান দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও পোষ্য কোটা না দেখা পর্যন্ত তারা তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

রাকসু নির্বাচনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অচলাস্থার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছে শিক্ষকরা।

এদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। এছাড়াও শিক্ষকদেরও আলোচনার আহবান জানিয়েছেন উপাচার্য। তবে জরুরি কাজে উপচার্য ঢাকায় চলে যাওয়ার সে বৈঠক হয়নি।

৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার ছুটি আছে। তার আগে এই কমপ্লিট শাটডাউনের কারণে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ শিক্ষার্থী আগেভাগেই বাড়িতে চলে যাচ্ছে। এই কারণে পুরো ক্যাম্পাস ফাঁকা হয়ে পড়েছে।

এর আগে ২০ অক্টোবর পোষ্য কোটা পুনর্বহাল নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। যার রেশ ধরেই এই লাগাতার কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এমন পরিস্থিতিতে সোমবার বিকাল ৫টায় রাকসু নির্বাচন কমিশনার জরুরি সভা করে নির্বাচনের তারিখ পেছান। আগামী মাসের ১৬ অক্টোবর ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।