শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিআর পদ্ধতিতে ফ্যাসিস্ট সরকার তৈরি হতে পারে: সালাহউদ্দিন

পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে শেখ হাসিনার মতো আরেকটি ফ্যাসিস্ট বা দুর্বল সরকার তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এমনটা হলে দেশ স্থায়ীভাবে অস্থিতিশীল হবে বলে মনে করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘পিআর চাওয়ার একটি উদ্দেশ্য হলো বেশি সিট পাওয়া। আরেকটি হচ্ছে দেশে অনৈক্য ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা, যাতে মেজোরিটি পার্টি ক্ষমতায় না আসতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘পিআর মানে পারমানেন্ট রেস্টলেসনেস, যার সবশেষ উদাহরণ নেপাল।’

যারা কম জনপ্রিয় তাদের জন্য পিআর লাভজনক মন্তব্য করেবিএনপির এই নেতা বলেন, ‘কোন পদ্ধতিতে ভোট হবে তা সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধানে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের কথা বলা রয়েছে। তা জানতে জামায়াতকে সংবিধান খুলে দেখতে হবে।’

জামায়াত নেতারা ঐকমত্য কমিশনে পাশে বসেও শিখতে পারলেন না বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য।

তিনি বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক দলের অসাংবিধানিক, অরাজনৈতিক, অবৈধ কোনো আবদার মেনে জাতিকে বিপদে ফেলা যাবে না। এই সরকার সাংবিধানিক সরকার। তাই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আইনানুগভাবে সরকারকে চলতে হবে।’

জরিপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাতে দেখা গেছে ৫৬ শতাংশ মানুষ পিআর কী বোঝে না। কিন্তু তারা (জামায়াত ইসলামী) বলছে ৭০ শতাংশ মানুষ পিআর চায়। এগুলো বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পিআর পদ্ধতিতে ফ্যাসিস্ট সরকার তৈরি হতে পারে: সালাহউদ্দিন

প্রকাশিত সময় : ০৫:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে শেখ হাসিনার মতো আরেকটি ফ্যাসিস্ট বা দুর্বল সরকার তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এমনটা হলে দেশ স্থায়ীভাবে অস্থিতিশীল হবে বলে মনে করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘পিআর চাওয়ার একটি উদ্দেশ্য হলো বেশি সিট পাওয়া। আরেকটি হচ্ছে দেশে অনৈক্য ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা, যাতে মেজোরিটি পার্টি ক্ষমতায় না আসতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘পিআর মানে পারমানেন্ট রেস্টলেসনেস, যার সবশেষ উদাহরণ নেপাল।’

যারা কম জনপ্রিয় তাদের জন্য পিআর লাভজনক মন্তব্য করেবিএনপির এই নেতা বলেন, ‘কোন পদ্ধতিতে ভোট হবে তা সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধানে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের কথা বলা রয়েছে। তা জানতে জামায়াতকে সংবিধান খুলে দেখতে হবে।’

জামায়াত নেতারা ঐকমত্য কমিশনে পাশে বসেও শিখতে পারলেন না বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য।

তিনি বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক দলের অসাংবিধানিক, অরাজনৈতিক, অবৈধ কোনো আবদার মেনে জাতিকে বিপদে ফেলা যাবে না। এই সরকার সাংবিধানিক সরকার। তাই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আইনানুগভাবে সরকারকে চলতে হবে।’

জরিপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাতে দেখা গেছে ৫৬ শতাংশ মানুষ পিআর কী বোঝে না। কিন্তু তারা (জামায়াত ইসলামী) বলছে ৭০ শতাংশ মানুষ পিআর চায়। এগুলো বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।’