শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওদের কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখব: সারজিস

পথ সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হওয়ায় খুব চটেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এসময় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বললেন, ‘এই রাজনৈতিক দেউলিয়াদের দেখে নেবো, তাদের কলিজা কত বড়। কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখবো।’ চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে সারজিস আলমের নেতৃত্বে পঞ্চগড় শহর থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত শনিবার (১১ অক্টোবর) লংমার্চ শুরু হয়।

লংমার্চ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বক্তব্য রাখেন সারজিস। এসময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় এনসিপি নেতা ক্ষুব্ধ এই প্রতিক্রিয়া জানান। সারজিস বলেন, ‘এর আগেও পঞ্চগড়ে এনসিপির প্রোগ্রাম চলাকালে বিদ্যুৎ গেছে। নেসকোর যে মালিক তাকে এবং তার বাপকে জবাব দিতে হবে, প্রোগ্রাম চলাকালে, এটা হয় কেন? এক দিন হইত, দুই দিন হইত—কিচ্ছু বলতাম না, তিন দিনের তিন দিনই এটা হইছে। এই রাজনৈতিক দেউলিয়াদের দেখে নেবো।

’ চাঁদাবাজদের কথা উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, যদি কিছু চিত্র দেখেন ওই কেন্দ্র থেকে জেলা উপজেলায় একই চিত্র ছড়িয়ে পড়েছে। প্রত্যেক জেলা উপজেলায় ৫ থেকে ১০ জন চাঁদাবাজ, চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী ও কালপ্রিট আছে যারা নিজ উপজেলার রক্ত চুষে খাচ্ছে। তিনি বলেন, এনসিপি দায়িত্বে এলে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নিরপরাধ নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হবে না। তবে দুর্নীতিবাজরা নিজ দলের হলেও তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে। দলে তাদের ঠাঁই হবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ওদের কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখব: সারজিস

প্রকাশিত সময় : ০৩:৫৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

পথ সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট হওয়ায় খুব চটেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এসময় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বললেন, ‘এই রাজনৈতিক দেউলিয়াদের দেখে নেবো, তাদের কলিজা কত বড়। কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখবো।’ চাঁদাবাজিসহ সব ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে সারজিস আলমের নেতৃত্বে পঞ্চগড় শহর থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত শনিবার (১১ অক্টোবর) লংমার্চ শুরু হয়।

লংমার্চ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বক্তব্য রাখেন সারজিস। এসময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় এনসিপি নেতা ক্ষুব্ধ এই প্রতিক্রিয়া জানান। সারজিস বলেন, ‘এর আগেও পঞ্চগড়ে এনসিপির প্রোগ্রাম চলাকালে বিদ্যুৎ গেছে। নেসকোর যে মালিক তাকে এবং তার বাপকে জবাব দিতে হবে, প্রোগ্রাম চলাকালে, এটা হয় কেন? এক দিন হইত, দুই দিন হইত—কিচ্ছু বলতাম না, তিন দিনের তিন দিনই এটা হইছে। এই রাজনৈতিক দেউলিয়াদের দেখে নেবো।

’ চাঁদাবাজদের কথা উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, যদি কিছু চিত্র দেখেন ওই কেন্দ্র থেকে জেলা উপজেলায় একই চিত্র ছড়িয়ে পড়েছে। প্রত্যেক জেলা উপজেলায় ৫ থেকে ১০ জন চাঁদাবাজ, চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী ও কালপ্রিট আছে যারা নিজ উপজেলার রক্ত চুষে খাচ্ছে। তিনি বলেন, এনসিপি দায়িত্বে এলে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের নিরপরাধ নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হবে না। তবে দুর্নীতিবাজরা নিজ দলের হলেও তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে। দলে তাদের ঠাঁই হবে না।