মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত-শিবিরের ১০৫ আসামিই খালাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বহুল আলোচিত ২০১০ সালের ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় ১০৫ জন আসামির সবাই বেকসুর খালাস পেয়েছেন। রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী রাজশাহী মহানগর অতিরিক্ত আদালত-১ এর বিচারক মোঃ জুলফিকার উল্লাহ এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর কানিজ ফাতিমা জানান, মামলায় সাক্ষী বা প্রত্যক্ষদর্শী যারা ছিলেন, তারা আদালতে কারো নাম নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি। ফলে এই মামলার সকল আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে হল দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে ফারুক হোসেন নামে ছাত্রলীগের এক কর্মীর মরদেহ সৈয়দ আমীর আলী হল ও শাহ মখদুম হলের মাঝখানের ম্যানহোলে পাওয়া যায়।
ঘটনাযর পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম অপু বাদী হয়ে ৩৫ জন জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে নগরীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পর ২০১২ সালের ২৮ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান আদালতে ১ হাজার ২৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে জামায়াতের তৎকালীন কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, রাজশাহী নগর জামায়াতের তৎকালীন আমির আতাউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামসুল আলম গোলাপ, সম্পাদক মোবারক হোসেন, নবাব আব্দুল লতিফ হল শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসমত আলী, শহীদ হবিবুর রহমান হলের সভাপতি রাইজুল ইসলাম, শিবিরকর্মী রুহুল আমিন ও বাপ্পীসহ ১১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় জামায়াত-শিবিরের ১০৫ আসামিই খালাস

প্রকাশিত সময় : ০৪:১১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বহুল আলোচিত ২০১০ সালের ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় ১০৫ জন আসামির সবাই বেকসুর খালাস পেয়েছেন। রবিবার (১২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী রাজশাহী মহানগর অতিরিক্ত আদালত-১ এর বিচারক মোঃ জুলফিকার উল্লাহ এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালতেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর কানিজ ফাতিমা জানান, মামলায় সাক্ষী বা প্রত্যক্ষদর্শী যারা ছিলেন, তারা আদালতে কারো নাম নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি। ফলে এই মামলার সকল আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে হল দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে ফারুক হোসেন নামে ছাত্রলীগের এক কর্মীর মরদেহ সৈয়দ আমীর আলী হল ও শাহ মখদুম হলের মাঝখানের ম্যানহোলে পাওয়া যায়।
ঘটনাযর পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম অপু বাদী হয়ে ৩৫ জন জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে নগরীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার প্রায় আড়াই বছর পর ২০১২ সালের ২৮ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান আদালতে ১ হাজার ২৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে জামায়াতের তৎকালীন কেন্দ্রীয় আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, রাজশাহী নগর জামায়াতের তৎকালীন আমির আতাউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি শামসুল আলম গোলাপ, সম্পাদক মোবারক হোসেন, নবাব আব্দুল লতিফ হল শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাসমত আলী, শহীদ হবিবুর রহমান হলের সভাপতি রাইজুল ইসলাম, শিবিরকর্মী রুহুল আমিন ও বাপ্পীসহ ১১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।