বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জয়ের জন্য ১২১ রানের লক্ষ্য পেল ভারত

নবম ব্যাটার হিসেবে অ্যান্ডারসন ফিলিপস যখন আউট হন, তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের লিড মাত্র ৪১ রানের। সেখান থেকে জেডন সিলস ও জাস্টিন গ্রিভস ৫০ রানের জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এনে দিলেন শত রান ছাড়ানো পুঁজি। এতে জয়ের জন্য ভারতের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২১ রানের।

প্রথম ইনিংসে ভারতের ৫১৮ রানের জবাবে ২৪৮ রানে অলআউট হলে ফলো-অনে পড়ে ক্যারিবীয়রা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫ রানে ২ উইকেট হারালে আবারও শঙ্কা জেগেছিল ইনিংস ব্যবধানে হারার। সেখান থেকে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৭৭ রান তোলে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন জন ক্যাম্পবেল ও শাই হোপ। চতুর্থ দিনে টেস্টে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন জন ক্যাম্পবেল। ১১৫ রান করে ক্যাম্পবেলের বিদায়ের পর রোস্টন চেজকে নিয়ে এগোতে থাকেন হোপ। আট বছর পর সেঞ্চুরি তোলে নেন হোপও।

১০৩ রান করে তার বিদায়ের সময়ও ক্যারিবীয়রা পিছিয়ে ছিল ৯ রানে। সেখান থেকে দলকে শতরান ছাড়ানো লিড এনে দেন গ্রিভস ও সিলস মিলে। আউট হওয়ার আগে সিলস করেন ৩২ রান। অন্যদিকে কাঁটায় কাঁটায় ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন গ্রিভস। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট শিকার করেন কুলদীপ যাদব। চায়নাম্যান স্পিনারের মতো ৩টি উইকেট নেন জাসপ্রিত বুমরাহও। দুটি উইকেট নেন মোহাম্মদ সিরাজ। ভারতীয় বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানের বেশি করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জয়ের জন্য ১২১ রানের লক্ষ্য পেল ভারত

প্রকাশিত সময় : ০৪:৪৭:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

নবম ব্যাটার হিসেবে অ্যান্ডারসন ফিলিপস যখন আউট হন, তখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের লিড মাত্র ৪১ রানের। সেখান থেকে জেডন সিলস ও জাস্টিন গ্রিভস ৫০ রানের জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এনে দিলেন শত রান ছাড়ানো পুঁজি। এতে জয়ের জন্য ভারতের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২১ রানের।

প্রথম ইনিংসে ভারতের ৫১৮ রানের জবাবে ২৪৮ রানে অলআউট হলে ফলো-অনে পড়ে ক্যারিবীয়রা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫ রানে ২ উইকেট হারালে আবারও শঙ্কা জেগেছিল ইনিংস ব্যবধানে হারার। সেখান থেকে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৭৭ রান তোলে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন জন ক্যাম্পবেল ও শাই হোপ। চতুর্থ দিনে টেস্টে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন জন ক্যাম্পবেল। ১১৫ রান করে ক্যাম্পবেলের বিদায়ের পর রোস্টন চেজকে নিয়ে এগোতে থাকেন হোপ। আট বছর পর সেঞ্চুরি তোলে নেন হোপও।

১০৩ রান করে তার বিদায়ের সময়ও ক্যারিবীয়রা পিছিয়ে ছিল ৯ রানে। সেখান থেকে দলকে শতরান ছাড়ানো লিড এনে দেন গ্রিভস ও সিলস মিলে। আউট হওয়ার আগে সিলস করেন ৩২ রান। অন্যদিকে কাঁটায় কাঁটায় ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন গ্রিভস। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট শিকার করেন কুলদীপ যাদব। চায়নাম্যান স্পিনারের মতো ৩টি উইকেট নেন জাসপ্রিত বুমরাহও। দুটি উইকেট নেন মোহাম্মদ সিরাজ। ভারতীয় বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানের বেশি করতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।