শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজলায় মেঘনা নদীতে অভিযান, ২২ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ২৭ জেলে আটক

বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদী ও সংলগ্ন খালে যৌথ অভিযানে ২৭ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। এ সময় প্রায় ২২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ১২টি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।

গতকাল রবিবার (১২ অক্টোবর) দিনব্যাপী শান্তির বাজার, চর বাউসিয়া ও বোম্বে শহর সংলগ্ন মেঘনা নদী ও খাল এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড হিজলা ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. মারুফুল ইসলাম, কোস্টগার্ডের পিও (মিউস) মাসুদ সিসি, এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেকিছু অ সাধু জেলে নদীতে মাছ ধরতে থাকলে প্রশাসনের অভিযান পরিচালনা করা হয়। নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের তাড়ানোর পরও কিছু জেলে সংযুক্ত খালে ট্রলারসহ অবস্থান করলে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের আটক করা হয়। অভিযানে জব্দ জাল পুড়িয়ে ফেলা হয় এবং আটকদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, ‘ইলিশের প্রজনন মৌসুমে যারা আইন অমান্য করে মাছ ধরে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

হিজলায় মেঘনা নদীতে অভিযান, ২২ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ২৭ জেলে আটক

প্রকাশিত সময় : ০৪:৫২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদী ও সংলগ্ন খালে যৌথ অভিযানে ২৭ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে। এ সময় প্রায় ২২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ১২টি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।

গতকাল রবিবার (১২ অক্টোবর) দিনব্যাপী শান্তির বাজার, চর বাউসিয়া ও বোম্বে শহর সংলগ্ন মেঘনা নদী ও খাল এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অংশ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড হিজলা ও নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. মারুফুল ইসলাম, কোস্টগার্ডের পিও (মিউস) মাসুদ সিসি, এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেকিছু অ সাধু জেলে নদীতে মাছ ধরতে থাকলে প্রশাসনের অভিযান পরিচালনা করা হয়। নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের তাড়ানোর পরও কিছু জেলে সংযুক্ত খালে ট্রলারসহ অবস্থান করলে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের আটক করা হয়। অভিযানে জব্দ জাল পুড়িয়ে ফেলা হয় এবং আটকদের বিরুদ্ধে মৎস্য আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, ‘ইলিশের প্রজনন মৌসুমে যারা আইন অমান্য করে মাছ ধরে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।’