সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুপার ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশ

৫০ তম ওভারের শেষ বলে খ্যারি পিয়েরের ক্যাচ ছেড়ে দেন উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ১ রানে হারের জন্য এই ক্যাচ মিসকেই দায়ী করছেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।

২১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ বলে ৩ রান করতে হতো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। সাইফ হাসানের করা সে বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন পিয়েরে। দৌঁড়ে বলের কাছে গিয়ে গ্লাভসে নেন সোহান। কিন্তু জমাতে পারেননি। বল ফসকে মাটিতে পড়ে যায়। ততক্ষেণ দৌঁড়ে দুই রান নেন পিয়েরে ও শাই হোপ। বাংলাদেশের করা ২১৩ রানেই থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

মোস্তাফিজের করা ওভার থেকে ১০ রান নেয় ক্যারিবীয়রা। লক্ষ্য তাড়ায় আকিল হোসেনের করা ওভার থেকে ৯ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। ওভার করতে এসে ওয়াইড, নো মিলিয়ে ৯ বল করেছেন আকিল। এরপরও ১১ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। একটি বাউন্ডারিও মারতে পারেননি সৌম্য সরকার, সাইফরা।

সে আক্ষেপও ছিল মিরাজের কণ্ঠে। ম্যাচ শেষে মিরাজ বলেন, ‘সুপার ওভারে জেতার জন্য আমাদের ১১ রান দরকার ছিল। একটি বাউন্ডারি আদায় করতে পারলেই পরিস্থিতি বদলে যেত। যদি আমরা সেই ক্যাচটি (খ্যারি পিয়েরের ক্যাচ) নিতে পারলে আমরা ম্যাচ জিততাম। আমরা পরবর্তী ম্যাচের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’ এদিকে দল হারলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স উজ্জল ছিলেন রিশাদ হোসেন। ব্যাটিংয়ে ১৪ বলে খেলেন ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস। এরপর বল হাতে নেন ৩ উইকেট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

সুপার ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে গেল বাংলাদেশ

প্রকাশিত সময় : ১০:২০:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

৫০ তম ওভারের শেষ বলে খ্যারি পিয়েরের ক্যাচ ছেড়ে দেন উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ১ রানে হারের জন্য এই ক্যাচ মিসকেই দায়ী করছেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ।

২১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ বলে ৩ রান করতে হতো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। সাইফ হাসানের করা সে বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন পিয়েরে। দৌঁড়ে বলের কাছে গিয়ে গ্লাভসে নেন সোহান। কিন্তু জমাতে পারেননি। বল ফসকে মাটিতে পড়ে যায়। ততক্ষেণ দৌঁড়ে দুই রান নেন পিয়েরে ও শাই হোপ। বাংলাদেশের করা ২১৩ রানেই থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

মোস্তাফিজের করা ওভার থেকে ১০ রান নেয় ক্যারিবীয়রা। লক্ষ্য তাড়ায় আকিল হোসেনের করা ওভার থেকে ৯ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। ওভার করতে এসে ওয়াইড, নো মিলিয়ে ৯ বল করেছেন আকিল। এরপরও ১১ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি স্বাগতিকরা। একটি বাউন্ডারিও মারতে পারেননি সৌম্য সরকার, সাইফরা।

সে আক্ষেপও ছিল মিরাজের কণ্ঠে। ম্যাচ শেষে মিরাজ বলেন, ‘সুপার ওভারে জেতার জন্য আমাদের ১১ রান দরকার ছিল। একটি বাউন্ডারি আদায় করতে পারলেই পরিস্থিতি বদলে যেত। যদি আমরা সেই ক্যাচটি (খ্যারি পিয়েরের ক্যাচ) নিতে পারলে আমরা ম্যাচ জিততাম। আমরা পরবর্তী ম্যাচের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’ এদিকে দল হারলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স উজ্জল ছিলেন রিশাদ হোসেন। ব্যাটিংয়ে ১৪ বলে খেলেন ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস। এরপর বল হাতে নেন ৩ উইকেট।