রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাগরে আবার লঘুচাপ, ২ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

ঘূর্ণিঝড় মোন্থা বিদায় নিতেই বঙ্গোপসাগরে আবার লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এর কারণে দেশের দুই বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টিরও সম্ভাবনা আছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া আজ মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও মিয়ানমারের উপকূলের কাছে লঘুচাপটি আছে। এ লঘুচাপ বাংলাদেশ–মিয়ানমার উপকূলের দিকে আসতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আজ প্রথম আলোকে বলেন, এই লঘুচাপটি ঘনীভূত হতে পারে। পরে এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। আর এর প্রভাবে বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে আজ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানেও বৃষ্টি হতে পারে।

লঘুচাপটির গতিপথই বলে দিচ্ছে, এটি চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে আসছে। আর এ কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে।

এবারের লঘুচাপের প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু—জানতে চাইলে হাফিজুর রহমান বলেন, রাজধানীতে আগামীকাল বুধবার বা এর পরদিন সামান্য বৃষ্টি হতে পারে।

এর আগে গত ২৮ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় মোন্থা আঘাত হানে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টি হয়। এর মধ্যে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রাজশাহী অঞ্চলে বৃষ্টিপাত পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। এতে ফসলের ক্ষতিও হয়। রাজধানীতে মোন্থার প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হয়। গত শনিবার রাজধানীতে ৯ ঘণ্টায় ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাগরে আবার লঘুচাপ, ২ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

প্রকাশিত সময় : ০৪:৫০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

ঘূর্ণিঝড় মোন্থা বিদায় নিতেই বঙ্গোপসাগরে আবার লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এর কারণে দেশের দুই বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। লঘুচাপটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে বৃষ্টিরও সম্ভাবনা আছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া আজ মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়ার বার্তায় বলা হয়েছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও মিয়ানমারের উপকূলের কাছে লঘুচাপটি আছে। এ লঘুচাপ বাংলাদেশ–মিয়ানমার উপকূলের দিকে আসতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান আজ প্রথম আলোকে বলেন, এই লঘুচাপটি ঘনীভূত হতে পারে। পরে এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। আর এর প্রভাবে বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে আজ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানেও বৃষ্টি হতে পারে।

লঘুচাপটির গতিপথই বলে দিচ্ছে, এটি চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে আসছে। আর এ কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে।

এবারের লঘুচাপের প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কতটুকু—জানতে চাইলে হাফিজুর রহমান বলেন, রাজধানীতে আগামীকাল বুধবার বা এর পরদিন সামান্য বৃষ্টি হতে পারে।

এর আগে গত ২৮ অক্টোবর ঘূর্ণিঝড় মোন্থা আঘাত হানে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টি হয়। এর মধ্যে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রাজশাহী অঞ্চলে বৃষ্টিপাত পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। এতে ফসলের ক্ষতিও হয়। রাজধানীতে মোন্থার প্রভাবে ভারী বৃষ্টি হয়। গত শনিবার রাজধানীতে ৯ ঘণ্টায় ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়।