বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে চলছে ৩৬ ঘণ্টার হরতাল

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কোটাবৈষম্যের প্রতিবাদে ডাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল চলছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে এই হরতাল শুরু হয়।

কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের ডাকা এই হরতালের সমর্থনে শহরের রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি, বনরুপাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ও সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে পিকেটিং করছে আন্দোলনকারী। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।

হরতালের কারণে শহরের একমাত্র গণপরিবহন সিএনজি অটোরিকশাসহ বন্ধ রয়েছে শপিংমল, দোকানপাট। রাঙামাটি থেকে ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার কোনো বাস, পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে আন্তঃজেলা বাস ও ৬ উপজেলার সাথে নৌ চলাচল।

হরতালের সমর্থনকারীরা জানায়, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হলেও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এই আইন মানছে না। জেলা পরিষদ ৭০ শতাংশ পাহাড়ি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি এই কোটা মেনে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চাচ্ছে। এটি একটি চরম বৈষম্য। এই বৈষম্যের প্রতিবাদে আমরা এই হরতাল কর্মসূচি পালন করছি। রাঙামাটির সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল পালন করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

রাঙামাটিতে চলছে ৩৬ ঘণ্টার হরতাল

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কোটাবৈষম্যের প্রতিবাদে ডাকা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল চলছে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে এই হরতাল শুরু হয়।

কোটাবিরোধী ঐক্যজোটের ডাকা এই হরতালের সমর্থনে শহরের রিজার্ভ বাজার, তবলছড়ি, বনরুপাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে ও সড়কে গাছের গুড়ি ফেলে পিকেটিং করছে আন্দোলনকারী। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।

হরতালের কারণে শহরের একমাত্র গণপরিবহন সিএনজি অটোরিকশাসহ বন্ধ রয়েছে শপিংমল, দোকানপাট। রাঙামাটি থেকে ছেড়ে যায়নি দূরপাল্লার কোনো বাস, পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে আন্তঃজেলা বাস ও ৬ উপজেলার সাথে নৌ চলাচল।

হরতালের সমর্থনকারীরা জানায়, সরকারি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ মেধা ও ৭ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হলেও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এই আইন মানছে না। জেলা পরিষদ ৭০ শতাংশ পাহাড়ি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি এই কোটা মেনে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চাচ্ছে। এটি একটি চরম বৈষম্য। এই বৈষম্যের প্রতিবাদে আমরা এই হরতাল কর্মসূচি পালন করছি। রাঙামাটির সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে হরতাল পালন করছে।