সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবারো ইতিহাস গড়লেন মেসি, দ্বিতীয়বার এমভিপি

ইন্টার মায়ামিকে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জেতানোর পর যথাযোগ্য স্বীকৃতি পেলেন লিওনেল মেসি। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) টানা দ্বিতীয় মৌসুমে জিতলেন মর্যাদার এমভিপি (মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার) খেতাব।

এবারের অর্জনে এক অনন্য ইতিহাসও লিখেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এমএলএস–এ পরপর দুই মৌসুমে এমভিপি জেতা প্রথম ফুটবলার এখন তিনি। গত সপ্তাহে হেরনদের হয়ে জেতা তাদের প্রথম এমএলএস কাপই তাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।

এর পাশাপাশি, মেসি হলেন এমএলএস ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার যিনি একাধিকবার এমভিপি জিতলেন। এর আগে ১৯৯৭ ও ২০০৩ সালে কানসাস সিটি উইজার্ডসের প্রেদ্রাগ রাদোসাভলজেভিক এই কৃতিত্বের একমাত্র মালিক ছিলেন।

চলতি মৌসুমে মেসির হিসাবও চোখধাঁধানো। ২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্ট, যা তাকে এনে দিয়েছে গোল্ডেন বুট। এ যাত্রায় তিনি পিছনে ফেলেন ন্যাশভিল এসসি’র স্যাম স্যারিজ ও এলএএফসি’র দ্যেনিস বুয়াঙ্গাকে।

এমএলএস ইতিহাসে এক মৌসুমে অন্তত ১৮ গোল ও ১৮ অ্যাসিস্ট; এমন কীর্তিও এই প্রথম কারও দখলে এসেছে। তার মোট গোল-অবদান সংখ্যা (৪৮)। অল্পের জন্য ভাঙতে পারেনি ২০১৯ সালে কার্লোস ভেলার গড়া ৪৯–এর রেকর্ড।

প্লে-অফেও তিনি ছিলেন একই রকম উজ্জ্বল। পোস্ট সিজনে মেসির ১৫ গোল–অবদান (৬ গোল, ৯ অ্যাসিস্ট) তৈরি করেছে নতুন লিগ রেকর্ড। শেষ ম্যাচে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের বিপক্ষে ৩-১ জয়ে দ্বিতীয়ার্ধে রদ্রিগো দে পল ও তাদেও আলেন্দেকে গোল বানিয়ে দেন তিনি।

২০২৩ সালের জুলাইয়ে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মেসির গোল–অবদান সংখ্যা ১০১। যা এই সময়ের মধ্যে লিগে কারও নেই। এবং হেরনদের জার্সিতে প্রতি মৌসুমেই কোনো না কোনো শিরোপা জয়ের ধারাও ধরে রেখেছেন। ২০২৩ সালে লিগস কাপ ও ২০২৪ সালে সাপোর্টার্স’ শিল্ড জিতিয়েছিলেন দলকে।

গত অক্টোবরে তিনি জাভিয়ের মাশচেরানোর দল ইন্টার মায়ামির সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

আবারো ইতিহাস গড়লেন মেসি, দ্বিতীয়বার এমভিপি

প্রকাশিত সময় : ০৩:৪০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

ইন্টার মায়ামিকে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জেতানোর পর যথাযোগ্য স্বীকৃতি পেলেন লিওনেল মেসি। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) টানা দ্বিতীয় মৌসুমে জিতলেন মর্যাদার এমভিপি (মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার) খেতাব।

এবারের অর্জনে এক অনন্য ইতিহাসও লিখেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এমএলএস–এ পরপর দুই মৌসুমে এমভিপি জেতা প্রথম ফুটবলার এখন তিনি। গত সপ্তাহে হেরনদের হয়ে জেতা তাদের প্রথম এমএলএস কাপই তাকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।

এর পাশাপাশি, মেসি হলেন এমএলএস ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় ফুটবলার যিনি একাধিকবার এমভিপি জিতলেন। এর আগে ১৯৯৭ ও ২০০৩ সালে কানসাস সিটি উইজার্ডসের প্রেদ্রাগ রাদোসাভলজেভিক এই কৃতিত্বের একমাত্র মালিক ছিলেন।

চলতি মৌসুমে মেসির হিসাবও চোখধাঁধানো। ২৯ গোল ও ১৯ অ্যাসিস্ট, যা তাকে এনে দিয়েছে গোল্ডেন বুট। এ যাত্রায় তিনি পিছনে ফেলেন ন্যাশভিল এসসি’র স্যাম স্যারিজ ও এলএএফসি’র দ্যেনিস বুয়াঙ্গাকে।

এমএলএস ইতিহাসে এক মৌসুমে অন্তত ১৮ গোল ও ১৮ অ্যাসিস্ট; এমন কীর্তিও এই প্রথম কারও দখলে এসেছে। তার মোট গোল-অবদান সংখ্যা (৪৮)। অল্পের জন্য ভাঙতে পারেনি ২০১৯ সালে কার্লোস ভেলার গড়া ৪৯–এর রেকর্ড।

প্লে-অফেও তিনি ছিলেন একই রকম উজ্জ্বল। পোস্ট সিজনে মেসির ১৫ গোল–অবদান (৬ গোল, ৯ অ্যাসিস্ট) তৈরি করেছে নতুন লিগ রেকর্ড। শেষ ম্যাচে ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসের বিপক্ষে ৩-১ জয়ে দ্বিতীয়ার্ধে রদ্রিগো দে পল ও তাদেও আলেন্দেকে গোল বানিয়ে দেন তিনি।

২০২৩ সালের জুলাইয়ে মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মেসির গোল–অবদান সংখ্যা ১০১। যা এই সময়ের মধ্যে লিগে কারও নেই। এবং হেরনদের জার্সিতে প্রতি মৌসুমেই কোনো না কোনো শিরোপা জয়ের ধারাও ধরে রেখেছেন। ২০২৩ সালে লিগস কাপ ও ২০২৪ সালে সাপোর্টার্স’ শিল্ড জিতিয়েছিলেন দলকে।

গত অক্টোবরে তিনি জাভিয়ের মাশচেরানোর দল ইন্টার মায়ামির সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেছেন।