বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সেই মাদ্রাসা এলাকায় আবারও বিস্ফোরণ

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার পাশে আবারও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে আগের বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ি পরিষ্কার করার সময় এ ঘটনা ঘটে। এতে রাজু (৩০) নামে এক শ্রমিক আহত হন। বিস্ফোরণের পর তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আগের বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত পাশের বাড়িটি পরিষ্কার করার সময় সেখানে থাকা একটি অবিস্ফোরিত বোমা হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। বুধবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনের ভেতরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। ওই ঘটনায় ভবনের দুটি কক্ষ ভেঙে পড়ে এবং ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি পাশের একটি ভবন, একটি গ্যারেজ ও ঘরের আসবাবপত্রেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ওই সময় মাদ্রাসার পরিচালক আল আমিন, তার স্ত্রী আছিয়া বেগম, তাদের দুই ছেলে এবং পাশের একটি সিএনজি গ্যারেজের শ্রমিক জাকির হোসেন (৪৫) আহত হন। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করলেও মাদ্রাসার পরিচালক আল আমিন এখনো পলাতক রয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

সেই মাদ্রাসা এলাকায় আবারও বিস্ফোরণ

প্রকাশিত সময় : ০৯:৩৩:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার পাশে আবারও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে আগের বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ি পরিষ্কার করার সময় এ ঘটনা ঘটে। এতে রাজু (৩০) নামে এক শ্রমিক আহত হন। বিস্ফোরণের পর তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আগের বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত পাশের বাড়িটি পরিষ্কার করার সময় সেখানে থাকা একটি অবিস্ফোরিত বোমা হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়। বুধবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর বেলা ১১টার দিকে উম্মাল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার একতলা ভবনের ভেতরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়। ওই ঘটনায় ভবনের দুটি কক্ষ ভেঙে পড়ে এবং ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি পাশের একটি ভবন, একটি গ্যারেজ ও ঘরের আসবাবপত্রেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ওই সময় মাদ্রাসার পরিচালক আল আমিন, তার স্ত্রী আছিয়া বেগম, তাদের দুই ছেলে এবং পাশের একটি সিএনজি গ্যারেজের শ্রমিক জাকির হোসেন (৪৫) আহত হন। ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করলেও মাদ্রাসার পরিচালক আল আমিন এখনো পলাতক রয়েছেন।