বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-১৮ আসনে মান্নার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

ঢাকা-১৮ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এতথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

এর আগে শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বগুড়া-২ আসনে মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর ইসলাম। হলফনামায় তথ্যের অসঙ্গতি এবং নোটারি পাবলিকের কাগজে স্বাক্ষরের তারিখ নিয়ে গরমিল থাকায় মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়।

মনোনয়পত্র দাখিলের আগে খেলাপি ঋণ নিয়ে ঝামেলায় পড়েন মান্না। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ঋণের ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায়ে গত ১০ ডিসেম্বর একটি ‘কলব্যাক নোটিশ’ পাঠানো হয়। নোটিশটি পাঠানো হয় মান্নার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের নামে।

নোটিশে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানা উল্লেখ করা হয়। অংশীদারত্ব কাঠামো অনুযায়ী, আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডে মাহমুদুর রহমান মান্নার মালিকানা ৫০ শতাংশ, এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ২৫ শতাংশ এবং তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুর ২৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

নোটিশে গত ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করা না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।

পরে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে হাইকোর্ট ওই রিট আবেদন খারিজ করে দেয়।

পরে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে গত ২৯ ডিসেম্বর মান্নার নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এতে বগুড়া থেকে জাতীয় নির্বাচন করতে তার বাধা কেটে যায়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঢাকা-১৮ আসনে মান্নার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৭:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা-১৮ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এতথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।

এর আগে শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বগুড়া-২ আসনে মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর ইসলাম। হলফনামায় তথ্যের অসঙ্গতি এবং নোটারি পাবলিকের কাগজে স্বাক্ষরের তারিখ নিয়ে গরমিল থাকায় মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়।

মনোনয়পত্র দাখিলের আগে খেলাপি ঋণ নিয়ে ঝামেলায় পড়েন মান্না। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া বড়গোলা শাখা থেকে খেলাপি ঋণের ৩৮ কোটি ৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা আদায়ে গত ১০ ডিসেম্বর একটি ‘কলব্যাক নোটিশ’ পাঠানো হয়। নোটিশটি পাঠানো হয় মান্নার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের নামে।

নোটিশে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান মান্না এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ঠিকানা উল্লেখ করা হয়। অংশীদারত্ব কাঠামো অনুযায়ী, আফাকু কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডে মাহমুদুর রহমান মান্নার মালিকানা ৫০ শতাংশ, এ বি এম নাজমুল কাদির শাজাহান চৌধুরীর ২৫ শতাংশ এবং তার স্ত্রী ইসমত আরা লাইজুর ২৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

নোটিশে গত ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধ করা না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়।

পরে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন মাহমুদুর রহমান মান্না। তবে হাইকোর্ট ওই রিট আবেদন খারিজ করে দেয়।

পরে ঋণখেলাপির তালিকা থেকে গত ২৯ ডিসেম্বর মান্নার নাম বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এতে বগুড়া থেকে জাতীয় নির্বাচন করতে তার বাধা কেটে যায়।