শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলমগীর হোসেন (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শংকরপুরের নয়ন কাউন্সিলরের অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন যশোর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক । তিনি শংকরপুর ইসাহাক সড়ক এলাকার প্রয়াত ইন্তাজ চৌধুরীর ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন শংকরপুর এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এসময় অজ্ঞাত একদল দুষ্কৃতকারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি তার মাথার বাম পাশে বিদ্ধ হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় সরাসরি গুলি লাগার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহম্মেদ বলেন, ‘ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এবং কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যশোরে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত সময় : ১০:১৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলমগীর হোসেন (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শংকরপুরের নয়ন কাউন্সিলরের অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন যশোর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক । তিনি শংকরপুর ইসাহাক সড়ক এলাকার প্রয়াত ইন্তাজ চৌধুরীর ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন শংকরপুর এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এসময় অজ্ঞাত একদল দুষ্কৃতকারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি তার মাথার বাম পাশে বিদ্ধ হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় সরাসরি গুলি লাগার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহম্মেদ বলেন, ‘ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এবং কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’