শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা

বগুড়ার শেরপুরে আব্দুল হামিদ মন্ডল (৩৮) নামের এক ধান ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ধানক্ষেতে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে শেরপুর উপজেলার জামালপুর গ্রামের রাস্তার পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত হামিদুল মন্ডল ওই গ্রামের মোন্তাজ মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ধানের ব্যবসা করছিলেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রবিবার সকাল ৭টার দিকে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রাস্তার ধারে ধানক্ষেতের ভেতর একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের স্বজনরা এসে হামিদ মন্ডলের লাশ শনাক্ত করেন।

নিহতের বড় ভাই গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য তার কাছে নগদ টাকা থাকার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, টাকা লুট করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করে নির্জন স্থানে ফেলে রেখে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।

হামিদের স্ত্রী রাফিয়া বেগম বলেছেন, গতকাল বিকেলে স্বামীর সঙ্গে তার সর্বশেষ কথা হয়েছিল। এর পর থেকে হামিদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেছেন, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা যাচ্ছে, তাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড এবং এর সাথে কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে আমরা কাজ করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বগুড়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা

প্রকাশিত সময় : ০৫:২২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

বগুড়ার শেরপুরে আব্দুল হামিদ মন্ডল (৩৮) নামের এক ধান ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ধানক্ষেতে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে শেরপুর উপজেলার জামালপুর গ্রামের রাস্তার পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত হামিদুল মন্ডল ওই গ্রামের মোন্তাজ মন্ডলের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ধানের ব্যবসা করছিলেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রবিবার সকাল ৭টার দিকে কৃষকরা মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় রাস্তার ধারে ধানক্ষেতের ভেতর একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে নিহতের স্বজনরা এসে হামিদ মন্ডলের লাশ শনাক্ত করেন।

নিহতের বড় ভাই গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য তার কাছে নগদ টাকা থাকার কথা। ধারণা করা হচ্ছে, টাকা লুট করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করে নির্জন স্থানে ফেলে রেখে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।

হামিদের স্ত্রী রাফিয়া বেগম বলেছেন, গতকাল বিকেলে স্বামীর সঙ্গে তার সর্বশেষ কথা হয়েছিল। এর পর থেকে হামিদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেছেন, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে ধারণা করা যাচ্ছে, তাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড এবং এর সাথে কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে আমরা কাজ করছি।