মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ম্যাজিস্ট্রেটকে দেখে নেওয়ার হুমকি রুমিন ফারহানার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ২ আসনে নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গ করার দায়ে অভিযান চালাতে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার হেনস্তার শিকার হন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান।

শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ কান্ড ঘটে।

ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান আচরণ বিধি ভঙ্গের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে রুমিন ফারহানা ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন।

তিনি ওই ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন, আমি শেষ বারের মতো আপনাকে সর্তক করে দিচ্ছি। আমি এ ধরনের কথা আর শুনতে চাই না। আপনি পারলে থামিয়ে দেন। আজ আমি ভদ্রতার সাথে কথা বলছি, পরবর্তীতে সেটা করব না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, অন্যরা আপনাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় খোঁজ নিয়ে দেখেন। আমি রুমিন না বললে আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার। মাথায় রাইখেন। যাদের কথায় এখন আপনারা চলছেন শেখ হাসিনার সময় তারা কানে ধরে খাটের নিচে থাকত। আমি রুমিন ফারহানা আমার কোন দল লাগে না।

হেনস্তার শিকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান বলেন, নির্বাচন বিধি মালা ১৮ লঙ্ঘন করে তারা সমাবেশের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় আমরা সেখানে গিয়ে তাদেরকে সমাবেশ না করার জন্য বলি। তারা চলে যাওয়ার সময় সমাবেশের আয়োজক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সমাবেশ করতে না পেরে চলে যাওয়ার সময় ওই প্রার্থী আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। বিষয়টি আমি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ম্যাজিস্ট্রেটকে দেখে নেওয়ার হুমকি রুমিন ফারহানার

প্রকাশিত সময় : ১১:০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ২ আসনে নির্বাচন আচরণ বিধি ভঙ্গ করার দায়ে অভিযান চালাতে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার হেনস্তার শিকার হন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান।

শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ কান্ড ঘটে।

ভিডিওতে দেখা যায়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান আচরণ বিধি ভঙ্গের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে গেলে রুমিন ফারহানা ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন।

তিনি ওই ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন, আমি শেষ বারের মতো আপনাকে সর্তক করে দিচ্ছি। আমি এ ধরনের কথা আর শুনতে চাই না। আপনি পারলে থামিয়ে দেন। আজ আমি ভদ্রতার সাথে কথা বলছি, পরবর্তীতে সেটা করব না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, অন্যরা আপনাদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় খোঁজ নিয়ে দেখেন। আমি রুমিন না বললে আপনি এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার। মাথায় রাইখেন। যাদের কথায় এখন আপনারা চলছেন শেখ হাসিনার সময় তারা কানে ধরে খাটের নিচে থাকত। আমি রুমিন ফারহানা আমার কোন দল লাগে না।

হেনস্তার শিকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান বলেন, নির্বাচন বিধি মালা ১৮ লঙ্ঘন করে তারা সমাবেশের আয়োজন করে। বিষয়টি নিয়মবহির্ভূত হওয়ায় আমরা সেখানে গিয়ে তাদেরকে সমাবেশ না করার জন্য বলি। তারা চলে যাওয়ার সময় সমাবেশের আয়োজক মো. জুয়েলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সমাবেশ করতে না পেরে চলে যাওয়ার সময় ওই প্রার্থী আমার সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। বিষয়টি আমি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি।