শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ না খেললে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বর্জনের খবর ‘ভিত্তিহীন’

গতকাল রবিবার গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বর্জন করবে। আজ সোমবার আরেকটি খবর ছড়ায়, পাকিস্তান বিশ্বকাপের প্রস্তুতি স্থগিত করেছে। বাংলাদেশের পাশে থাকতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

এসব খবর ছড়ানো হয় পাকিস্তানের গণমাধ্যম থেকেই। জিও সুপার – এই খবর প্রকাশ করে। সেটা জিও সুপার উর্দুতে। তবে সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম গালফ নিউজ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সূত্রের বরাত দিয়ে লিখেছে, বিশ্বকাপ বর্জন এবং নিজেদের প্রস্তুতি স্থগিত করার কোনো সুযোগই নেই পাকিস্তানের। এসব খবর স্রেফ ভিত্তিহীন।

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্য পেন্ডুলামে ঝুলে আছে। ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে নিরাপদবোধ করছে না বাংলাদেশ। এজন্য আইসিসিকে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছে। কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। দুই পক্ষের আলোচনা হয়েছে। সামনাসামনি কথাও হয়েছে। দুই পক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না। আইসিসিও ভেন্যু পরিবর্তন করবে না।

উপমহাদেশের রাজনীতির উত্তাপ ছড়িয়ে দিতে তখনই পাকিস্তানের গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করে, বাংলাদেশের দাবি না মানলে তারাও নাকি বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। এর আগে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো আয়োজন করতে পিসিবির আগ্রহের কথাও আসে গণমাধ্যমে। যেগুলোর কোনটাই সত্য নয়।

পিসিবির সূত্রের বরাত দিয়ে গালফ নিউজ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বিশ্বকাপ বর্জনের কোনো ভাবনা নেই পাকিস্তানের। যে খবর পাকিস্তানের গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে তা একেবারেই ভিত্তিহীন।

আইসিসি যদি ভেন্যু পরিবর্তন না করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে জানিয়ে দেয় তাহলে বাংলাদেশ দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তে স্থির থাকবে। সেক্ষেত্রে আইসিসি বিকল্প দল তৈরি রেখেছে বলে খবর দিয়েছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো।

র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী, সেই দলটি হবে স্কটল্যান্ড। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২০ দল নিয়ে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর।

সূচি অনুযায়ী, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের চার ম্যাচের তিনটি কোলকাতায়। আরেকটি মুম্বাইয়ে। কলকাতায় বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচ যথাক্রমে ৭, ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ড।

১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ নেপালের বিপক্ষে ওয়াংখেড়েতে। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে সুপার এইটে উঠতে পারলে বাংলাদেশের সফর বাড়বে। নয়তো ভারতেই শেষ হবে মিশন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাংলাদেশ না খেললে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ বর্জনের খবর ‘ভিত্তিহীন’

প্রকাশিত সময় : ১০:৫২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

গতকাল রবিবার গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বর্জন করবে। আজ সোমবার আরেকটি খবর ছড়ায়, পাকিস্তান বিশ্বকাপের প্রস্তুতি স্থগিত করেছে। বাংলাদেশের পাশে থাকতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

এসব খবর ছড়ানো হয় পাকিস্তানের গণমাধ্যম থেকেই। জিও সুপার – এই খবর প্রকাশ করে। সেটা জিও সুপার উর্দুতে। তবে সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের গণমাধ্যম গালফ নিউজ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সূত্রের বরাত দিয়ে লিখেছে, বিশ্বকাপ বর্জন এবং নিজেদের প্রস্তুতি স্থগিত করার কোনো সুযোগই নেই পাকিস্তানের। এসব খবর স্রেফ ভিত্তিহীন।

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভাগ্য পেন্ডুলামে ঝুলে আছে। ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে নিরাপদবোধ করছে না বাংলাদেশ। এজন্য আইসিসিকে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ করেছে। কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। দুই পক্ষের আলোচনা হয়েছে। সামনাসামনি কথাও হয়েছে। দুই পক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না। আইসিসিও ভেন্যু পরিবর্তন করবে না।

উপমহাদেশের রাজনীতির উত্তাপ ছড়িয়ে দিতে তখনই পাকিস্তানের গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করে, বাংলাদেশের দাবি না মানলে তারাও নাকি বিশ্বকাপে খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। এর আগে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো আয়োজন করতে পিসিবির আগ্রহের কথাও আসে গণমাধ্যমে। যেগুলোর কোনটাই সত্য নয়।

পিসিবির সূত্রের বরাত দিয়ে গালফ নিউজ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বিশ্বকাপ বর্জনের কোনো ভাবনা নেই পাকিস্তানের। যে খবর পাকিস্তানের গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে তা একেবারেই ভিত্তিহীন।

আইসিসি যদি ভেন্যু পরিবর্তন না করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে জানিয়ে দেয় তাহলে বাংলাদেশ দল না পাঠানোর সিদ্ধান্তে স্থির থাকবে। সেক্ষেত্রে আইসিসি বিকল্প দল তৈরি রেখেছে বলে খবর দিয়েছে ইএসপিএন ক্রিকইনফো।

র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী, সেই দলটি হবে স্কটল্যান্ড। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ২০ দল নিয়ে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর।

সূচি অনুযায়ী, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের চার ম্যাচের তিনটি কোলকাতায়। আরেকটি মুম্বাইয়ে। কলকাতায় বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচ যথাক্রমে ৭, ৯ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ড।

১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ নেপালের বিপক্ষে ওয়াংখেড়েতে। গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে সুপার এইটে উঠতে পারলে বাংলাদেশের সফর বাড়বে। নয়তো ভারতেই শেষ হবে মিশন।