শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে বাড়ীর পাশ থেকে পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বসতবাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত গ্রেনেড পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকা ঘিরে রেখেছে । গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করতে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে পতনউষার ইউনিয়নের শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের বাড়ির পাশে এই গ্রেনেড পাওয়া যায়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের বাড়ির পাশে একটি পুকুর আছে। সেই পুকুরে কয়েকদিন আগে মাছ মারা হয়েছে। এসময় এই গ্রেনেডটি পাওয়া যায়। তবে না বুঝেই পাশেই জমির মধ্যে একটি খাদে ফেলে দেওয়া হয়। শনিবার সকালে মিন্নত আলী ঘাস কাটাতে গেলে গ্রেনেডটি দেখে পতনঊষার ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার নেছার আহমেদ জুনেদকে জানান পরে তিনি পুলিশকে অবগত করেন। পুলিশ এসে লাল ফ্লেগ লাগিয়ে জায়গাটি সংরক্ষণ করে রেখেছে।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন গ্রেনেডটি বহু পুরোনো এবং ধারণা করা হচ্ছে, এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের। কারণ ওই এলাকায় অবস্থিত শমশেরনগর বিমানবন্দরে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অবস্থান করত। স্থানীয়দের মতে, সেসময় ব্যবহৃত কোনো বিস্ফোরক এখানে এসে পড়তে পারে। এর আগেও গতবছর জুলাই মাসে একই গ্রাম থেকে আরও একটি তাজা গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে রেখেছি। সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করবেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মৌলভীবাজারে বাড়ীর পাশ থেকে পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার

প্রকাশিত সময় : ০৪:৪৮:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বসতবাড়ির পাশে একটি পরিত্যক্ত গ্রেনেড পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকা ঘিরে রেখেছে । গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করতে সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে পতনউষার ইউনিয়নের শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের বাড়ির পাশে এই গ্রেনেড পাওয়া যায়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মন্নানের বাড়ির পাশে একটি পুকুর আছে। সেই পুকুরে কয়েকদিন আগে মাছ মারা হয়েছে। এসময় এই গ্রেনেডটি পাওয়া যায়। তবে না বুঝেই পাশেই জমির মধ্যে একটি খাদে ফেলে দেওয়া হয়। শনিবার সকালে মিন্নত আলী ঘাস কাটাতে গেলে গ্রেনেডটি দেখে পতনঊষার ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার নেছার আহমেদ জুনেদকে জানান পরে তিনি পুলিশকে অবগত করেন। পুলিশ এসে লাল ফ্লেগ লাগিয়ে জায়গাটি সংরক্ষণ করে রেখেছে।
স্থানীয়রা ধারণা করছেন গ্রেনেডটি বহু পুরোনো এবং ধারণা করা হচ্ছে, এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের। কারণ ওই এলাকায় অবস্থিত শমশেরনগর বিমানবন্দরে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অবস্থান করত। স্থানীয়দের মতে, সেসময় ব্যবহৃত কোনো বিস্ফোরক এখানে এসে পড়তে পারে। এর আগেও গতবছর জুলাই মাসে একই গ্রাম থেকে আরও একটি তাজা গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে রেখেছি। সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করবেন।