সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পক্ষপাতিত্ব প্রমাণিত হলে পরিণতি খুব খারাপ হবে: সানাউল্লাহ

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ভোটগ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেছেন, কর্মকর্তাদের কারো বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেলে এর পরিণতি খুব খারাপ হবে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল নগরীর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

‎এসময় তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে। সবকিছু খোলামেলাভাবে করবেন, কোনো লুকাছাপা নেই।

তিনি জানান, ‎নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন শক্ত অবস্থান নিয়েছে এবং নেবে। আমাদের পছন্দ-অপছন্দ ব্যক্তি নাগরিকের ভোট দেয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ। আর কোথাও নয়। শতভাগ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। আমার কাছে কোনো ছোট দল, বড় দল হেভি ওয়েট প্রার্থী, লাইট ওয়েট প্রার্থী নেই। সবাইকে সমানভাবে ট্রিট করতে হবে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে।

এসময় তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, নির্দেশনার পরেও যদি কেউ তার পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠতে না পারেন, পক্ষপাতিত্ব করেছেন তা প্রমাণিত হয়,  তাহলে পরিণতি খুব খারাপ হবে। নির্বাচন কমিশন খুব কঠিন হবে এ ব্যাপারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দৃঢ়ভাবে কাজ করতে হবে। আপনি দৃঢ় থাকলে কেউ সুযোগ নেবে না। তবে শুধু বলপ্রয়োগ নয়, মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা খাইরুল আলম সুমন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পক্ষপাতিত্ব প্রমাণিত হলে পরিণতি খুব খারাপ হবে: সানাউল্লাহ

প্রকাশিত সময় : ০৪:৫৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ভোটগ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেছেন, কর্মকর্তাদের কারো বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেলে এর পরিণতি খুব খারাপ হবে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল নগরীর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

‎এসময় তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ করতে হবে। সবকিছু খোলামেলাভাবে করবেন, কোনো লুকাছাপা নেই।

তিনি জানান, ‎নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন শক্ত অবস্থান নিয়েছে এবং নেবে। আমাদের পছন্দ-অপছন্দ ব্যক্তি নাগরিকের ভোট দেয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ। আর কোথাও নয়। শতভাগ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। আমার কাছে কোনো ছোট দল, বড় দল হেভি ওয়েট প্রার্থী, লাইট ওয়েট প্রার্থী নেই। সবাইকে সমানভাবে ট্রিট করতে হবে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে।

এসময় তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক করে বলেন, নির্দেশনার পরেও যদি কেউ তার পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠতে না পারেন, পক্ষপাতিত্ব করেছেন তা প্রমাণিত হয়,  তাহলে পরিণতি খুব খারাপ হবে। নির্বাচন কমিশন খুব কঠিন হবে এ ব্যাপারে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দৃঢ়ভাবে কাজ করতে হবে। আপনি দৃঢ় থাকলে কেউ সুযোগ নেবে না। তবে শুধু বলপ্রয়োগ নয়, মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা খাইরুল আলম সুমন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।