বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড়ে ১২ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখের বেশি মানুষ

২০২৬ সালে ফিলিপাইনে আঘাত হানা দ্বিতীয় শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঝড় ‘বাসিয়াং’-এর প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির মিন্দানাও দ্বীপে ভারি বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সিভিল ডিফেন্স অফিস (ওসিডি)।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঝড়ের প্রভাবে উত্তর মিন্দানাও ও পার্শ্ববর্তী নেগ্রোস দ্বীপসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। বন্যায় কয়েকশ গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় ২ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এ ছাড়া প্রায় ৬৪ হাজার পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর মিন্দানাও অঞ্চলে গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে নদীগুলো প্লাবিত হয়ে ইলিগান সিটিসহ কয়েকটি অঞ্চলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ভেসে গেছে। অনেক জায়গায় নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা।

বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার পরিবারকে বিভিন্ন সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মিমারোপা ও কারাগা অঞ্চলের ৮২টি সমুদ্রবন্দরে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে চার হাজারেরও বেশি যাত্রী এবং কয়েকশ মালবাহী জাহাজ মাঝপথে আটকা পড়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে ঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হলেও, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখনও ভারী বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

সূত্র : গালফ নিউজ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফিলিপাইনে ঘূর্ণিঝড়ে ১২ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখের বেশি মানুষ

প্রকাশিত সময় : ০৩:৩৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালে ফিলিপাইনে আঘাত হানা দ্বিতীয় শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঝড় ‘বাসিয়াং’-এর প্রভাবে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির মিন্দানাও দ্বীপে ভারি বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সিভিল ডিফেন্স অফিস (ওসিডি)।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঝড়ের প্রভাবে উত্তর মিন্দানাও ও পার্শ্ববর্তী নেগ্রোস দ্বীপসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। বন্যায় কয়েকশ গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় ২ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এ ছাড়া প্রায় ৬৪ হাজার পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর মিন্দানাও অঞ্চলে গত ১০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে নদীগুলো প্লাবিত হয়ে ইলিগান সিটিসহ কয়েকটি অঞ্চলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু ভেসে গেছে। অনেক জায়গায় নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা।

বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার পরিবারকে বিভিন্ন সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মিমারোপা ও কারাগা অঞ্চলের ৮২টি সমুদ্রবন্দরে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে চার হাজারেরও বেশি যাত্রী এবং কয়েকশ মালবাহী জাহাজ মাঝপথে আটকা পড়েছে।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে ঝড়টি কিছুটা দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হলেও, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখনও ভারী বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়ে গেছে।

সূত্র : গালফ নিউজ