শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবৈধভাবে বিতরণের সময় বিপুল পরিমাণ টাকাসহ আটক ৩

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে প্রার্থীর পক্ষে অবৈধভাবে টাকা বিতরণের সময় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার ৬নং ওয়ার্ড আবদুল বারী হাটে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় গাড়িতে থাকা নগদ ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও রিকুইজিশন করা ১টি নোহা মাইক্রোবাসসহ ৩ জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।

আটককৃতরা হলেন- মো. এনামুল হক, মো. এমরান ও গাড়ির চালক।

সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টায় চন্দনাইশ পৌরসভার আব্দুল বারী হাট এলাকায় বিজিবি এবং চন্দনাইশ আর্মি ক্যাম্পের একটি যৌথ টহল দল কর্তৃক চেকপোস্ট চলাকালীন ১টি মাইক্রোবাস তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে দুইজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছে মোট ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যায়।

আটকরা দাবি করেন, ওই অর্থ স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল হকের (ফুটবল প্রতীক) পোলিং এজেন্টদের জন্য বহন করা হচ্ছিল।

উল্লেখ্য, গাড়ির চালক যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন এবং জানান যে, গাড়িটি রিকুইজিশন স্লিপের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে। তবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করা হয়নি। চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগতিপূর্বক সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের মাইক্রোবাসসহ চন্দনাইশ থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

চন্দনাইশ থানার ওসি মো. ইলিয়াছ খান জানান, রাত ১২টার সময় ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও গাড়িটি আটক করে থানায় দেওয়া হয়। নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল যা সিদ্ধান্ত দেন সেই অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেন জানান, ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও গাড়িটির ব্যাপারে আইনানুগ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরীর মোবাইলে বারবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অবৈধভাবে বিতরণের সময় বিপুল পরিমাণ টাকাসহ আটক ৩

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে প্রার্থীর পক্ষে অবৈধভাবে টাকা বিতরণের সময় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার ৬নং ওয়ার্ড আবদুল বারী হাটে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় গাড়িতে থাকা নগদ ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও রিকুইজিশন করা ১টি নোহা মাইক্রোবাসসহ ৩ জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।

আটককৃতরা হলেন- মো. এনামুল হক, মো. এমরান ও গাড়ির চালক।

সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টায় চন্দনাইশ পৌরসভার আব্দুল বারী হাট এলাকায় বিজিবি এবং চন্দনাইশ আর্মি ক্যাম্পের একটি যৌথ টহল দল কর্তৃক চেকপোস্ট চলাকালীন ১টি মাইক্রোবাস তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে দুইজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির কাছে মোট ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যায়।

আটকরা দাবি করেন, ওই অর্থ স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মিজানুল হকের (ফুটবল প্রতীক) পোলিং এজেন্টদের জন্য বহন করা হচ্ছিল।

উল্লেখ্য, গাড়ির চালক যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হন এবং জানান যে, গাড়িটি রিকুইজিশন স্লিপের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে। তবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট করা হয়নি। চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগতিপূর্বক সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের মাইক্রোবাসসহ চন্দনাইশ থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

চন্দনাইশ থানার ওসি মো. ইলিয়াছ খান জানান, রাত ১২টার সময় ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও গাড়িটি আটক করে থানায় দেওয়া হয়। নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল যা সিদ্ধান্ত দেন সেই অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. রাজিব হোসেন জানান, ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও গাড়িটির ব্যাপারে আইনানুগ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মিজানুল হক চৌধুরীর মোবাইলে বারবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।