রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

নবনির্বাচিত সরকার শপথ নেওয়ার পরই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সিএএস দরবারে সেনাবাহিনীর সব পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশে কর্মরত সদস্যদের পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সদস্যরাও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী নবনির্বাচিত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই সেনাসদস্যদেরকে মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হবে। তবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুলিশ বুঝে না নেওয়া পর্যন্ত সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর একটি অংশ মাঠে মোতায়েন থাকবে।

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাসদস্যদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিকূল ও সংবেদনশীল পরিবেশে সেনাবাহিনীর সদস্যরা চমৎকার দায়িত্বশীলতা, ধৈর্য ও পেশাদারত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এ জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর দক্ষতা দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। গত দেড় বছরের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে দেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনী যে ত্যাগ স্বীকার করেছে, তা দেশ ও জাতি দীর্ঘকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে সেনাপ্রধান কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পুরস্কৃত করেন।’ এ সময় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে, বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সদস্যদের দক্ষতা ও বীরত্বের কথাও তিনি তার ভাষণে তুলে ধরেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নতুন সরকারের শপথের পর ব্যারাকে ফিরবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান

প্রকাশিত সময় : ০৯:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নবনির্বাচিত সরকার শপথ নেওয়ার পরই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সিএএস দরবারে সেনাবাহিনীর সব পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশে কর্মরত সদস্যদের পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সদস্যরাও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী নবনির্বাচিত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই সেনাসদস্যদেরকে মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হবে। তবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুলিশ বুঝে না নেওয়া পর্যন্ত সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীর একটি অংশ মাঠে মোতায়েন থাকবে।

সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাসদস্যদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিকূল ও সংবেদনশীল পরিবেশে সেনাবাহিনীর সদস্যরা চমৎকার দায়িত্বশীলতা, ধৈর্য ও পেশাদারত্বের পরিচয় দিয়েছেন। এ জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর দক্ষতা দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। গত দেড় বছরের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে দেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনী যে ত্যাগ স্বীকার করেছে, তা দেশ ও জাতি দীর্ঘকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে সেনাপ্রধান কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পুরস্কৃত করেন।’ এ সময় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে, বিশেষ করে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত সদস্যদের দক্ষতা ও বীরত্বের কথাও তিনি তার ভাষণে তুলে ধরেন।