সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন বয়স বাড়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন জয়া আহসান

৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ-এ মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত এবং সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত সিনেমা ‘ওসিডি’। ছবিটির প্রচারণা উপলক্ষে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়াল-কে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে সিনেমা ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। দুই বাংলার চলচ্চিত্র নিয়ে আশাবাদী কি না—এমন প্রশ্নে জয়া বলেন, তিনি উভয় ইন্ডাস্ট্রি নিয়েই আশাবাদী।

তার ভাষ্য, এখানে ‘ওসিডি’র মতো ছবি মুক্তি পাচ্ছে এবং দর্শক তা দেখছেন—এটাই ইতিবাচক ইঙ্গিত। এর আগে তিনি ‘ডিয়ার মা’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’র মতো ভিন্নমাত্রিক কাজ করেছেন। প্রতিটি ছবিই আলাদা ঘরানার—কখনো পারিবারিক, কখনো ক্ল্যাসিক ধারার, আবার কখনো শক্তিশালী সামাজিক বার্তাভিত্তিক। একজন শিল্পী হিসেবে এমন বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া তার জন্য সৌভাগ্যের বলে মন্তব্য করেন তিনি।

‘ওসিডি’ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ছবিটিতে অভিনয় দেখানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল, তবে নিজের কাজের মূল্যায়ন দর্শকের ওপরই ছেড়ে দিতে চান। গত বছরে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত বাংলাদেশি দুটি সিনেমা ‘উৎসব’ ও ‘তাণ্ডব’-এর সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন জয়া। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ছবি দুটি ব্লকবাস্টার হয়েছে বলে জানান তিনি। সামনে আরও কয়েকটি নতুন কাজ আসছে উল্লেখ করে বলেন, ‘রইদ’ নামের একটি ছবির ট্রেলার ইতোমধ্যে দর্শক দেখেছেন, সেটিও ভালো সাড়া ফেলবে বলে তার বিশ্বাস।

দুই বাংলার ছবির পারস্পরিক মুক্তি না পাওয়ার বিষয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন জয়া। তার আশা, অদূর ভবিষ্যতে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দুই অঞ্চলের দর্শক একে অপরের কাজ সহজে উপভোগ করতে পারবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া তার ব্যক্তিগত পরিসর নয়; বরং এটি জয়া আহসান নামের একটি ইমেজের আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনা। তবে মাঝেমধ্যে ব্যক্তিগত কিছু মুহূর্তও শেয়ার করেন। সাক্ষাৎকারের শেষাংশে ‘র‍্যাপিড ফায়ার’ পর্বে ১০টি প্রশ্নের উত্তর দেন জয়া।

বয়স বাড়ার সঙ্গে কোন বিষয়টি বেশি উপভোগ করছেন—এ প্রশ্নে হাসতে হাসতে বলেন, তিনি ধীরে ধীরে তার বাবার মতো দেখতে হয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি জানান, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তিনি আরও বেশি সাহসী ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় হয়ে উঠছেন; এমন কোনো কাজ নেই, যেটি করতে নিজেকে সরাসরি ‘না’ বলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কেন বয়স বাড়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন জয়া আহসান

প্রকাশিত সময় : ০৪:৪৪:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ-এ মুক্তি পেয়েছে জয়া আহসান অভিনীত এবং সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত সিনেমা ‘ওসিডি’। ছবিটির প্রচারণা উপলক্ষে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়াল-কে দেওয়া এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে সিনেমা ও ব্যক্তিজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। দুই বাংলার চলচ্চিত্র নিয়ে আশাবাদী কি না—এমন প্রশ্নে জয়া বলেন, তিনি উভয় ইন্ডাস্ট্রি নিয়েই আশাবাদী।

তার ভাষ্য, এখানে ‘ওসিডি’র মতো ছবি মুক্তি পাচ্ছে এবং দর্শক তা দেখছেন—এটাই ইতিবাচক ইঙ্গিত। এর আগে তিনি ‘ডিয়ার মা’ ও ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’র মতো ভিন্নমাত্রিক কাজ করেছেন। প্রতিটি ছবিই আলাদা ঘরানার—কখনো পারিবারিক, কখনো ক্ল্যাসিক ধারার, আবার কখনো শক্তিশালী সামাজিক বার্তাভিত্তিক। একজন শিল্পী হিসেবে এমন বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া তার জন্য সৌভাগ্যের বলে মন্তব্য করেন তিনি।

‘ওসিডি’ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ছবিটিতে অভিনয় দেখানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল, তবে নিজের কাজের মূল্যায়ন দর্শকের ওপরই ছেড়ে দিতে চান। গত বছরে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত বাংলাদেশি দুটি সিনেমা ‘উৎসব’ ও ‘তাণ্ডব’-এর সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন জয়া। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ছবি দুটি ব্লকবাস্টার হয়েছে বলে জানান তিনি। সামনে আরও কয়েকটি নতুন কাজ আসছে উল্লেখ করে বলেন, ‘রইদ’ নামের একটি ছবির ট্রেলার ইতোমধ্যে দর্শক দেখেছেন, সেটিও ভালো সাড়া ফেলবে বলে তার বিশ্বাস।

দুই বাংলার ছবির পারস্পরিক মুক্তি না পাওয়ার বিষয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেন জয়া। তার আশা, অদূর ভবিষ্যতে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে দুই অঞ্চলের দর্শক একে অপরের কাজ সহজে উপভোগ করতে পারবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া তার ব্যক্তিগত পরিসর নয়; বরং এটি জয়া আহসান নামের একটি ইমেজের আনুষ্ঠানিক উপস্থাপনা। তবে মাঝেমধ্যে ব্যক্তিগত কিছু মুহূর্তও শেয়ার করেন। সাক্ষাৎকারের শেষাংশে ‘র‍্যাপিড ফায়ার’ পর্বে ১০টি প্রশ্নের উত্তর দেন জয়া।

বয়স বাড়ার সঙ্গে কোন বিষয়টি বেশি উপভোগ করছেন—এ প্রশ্নে হাসতে হাসতে বলেন, তিনি ধীরে ধীরে তার বাবার মতো দেখতে হয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি জানান, বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তিনি আরও বেশি সাহসী ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় হয়ে উঠছেন; এমন কোনো কাজ নেই, যেটি করতে নিজেকে সরাসরি ‘না’ বলেন।