বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চীনে আতশবাজির দোকানে বিস্ফোরণ, নিহত ১২

চীনের মধ্যাঞ্চলের হুবেই প্রদেশের একটি শহরে আতশবাজির দোকানে বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সাউথ চাইনা মর্নি পোস্টের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, চন্দ্র নববর্ষের দ্বিতীয় দিনে আজ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের ঠিক আগে জিয়াংইয়াং শহরের ঝেংজি শহরে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরবর্তীতে আগুন পুরো প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে পড়ে এবং এক ঘণ্টার মধ্যে তা নিভিয়ে ফেলা হয়। কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত চলছে।

এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নয় দিনের ছুটির প্রথম দিনে জিয়াংসু প্রদেশের লিয়ানয়ুঙ্গাং-এ আরেকটি মারাত্মক বিস্ফোরণে আটজন নিহত এবং আরও দুজন আহত হন। কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জন্য আতশবাজির ভুল পরিচালনাকে দায়ী করেছে এবং তদন্ত অব্যাহত থাকায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জিয়াংসু বিস্ফোরণ থেকে শিক্ষা নেওয়ার এবং আতশবাজি শিল্পের তত্ত্বাবধান জোরদার করার জন্য সমস্ত অঞ্চলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, চীনে চন্দ্র নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো একটি সাধারণ রীতি। রাজধানী বেইজিংসহ বড় কয়েকটি শহরে দূষণের কারণে এ ধরনের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ছোট শহর ও গ্রামাঞ্চলে এখনো ব্যাপকভাবে আতশবাজি ফোটানো হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চীনে আতশবাজির দোকানে বিস্ফোরণ, নিহত ১২

প্রকাশিত সময় : ১২:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চীনের মধ্যাঞ্চলের হুবেই প্রদেশের একটি শহরে আতশবাজির দোকানে বিস্ফোরণে ১২ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সাউথ চাইনা মর্নি পোস্টের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, চন্দ্র নববর্ষের দ্বিতীয় দিনে আজ দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের ঠিক আগে জিয়াংইয়াং শহরের ঝেংজি শহরে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরবর্তীতে আগুন পুরো প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে পড়ে এবং এক ঘণ্টার মধ্যে তা নিভিয়ে ফেলা হয়। কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত চলছে।

এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নয় দিনের ছুটির প্রথম দিনে জিয়াংসু প্রদেশের লিয়ানয়ুঙ্গাং-এ আরেকটি মারাত্মক বিস্ফোরণে আটজন নিহত এবং আরও দুজন আহত হন। কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জন্য আতশবাজির ভুল পরিচালনাকে দায়ী করেছে এবং তদন্ত অব্যাহত থাকায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জিয়াংসু বিস্ফোরণ থেকে শিক্ষা নেওয়ার এবং আতশবাজি শিল্পের তত্ত্বাবধান জোরদার করার জন্য সমস্ত অঞ্চলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, চীনে চন্দ্র নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো একটি সাধারণ রীতি। রাজধানী বেইজিংসহ বড় কয়েকটি শহরে দূষণের কারণে এ ধরনের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ছোট শহর ও গ্রামাঞ্চলে এখনো ব্যাপকভাবে আতশবাজি ফোটানো হয়।