বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধ্বংসস্তূপে প্রথম রোজার ইফতার করল ফিলিস্তিনিরা

টানা দুই বছর পর যুদ্ধ ছাড়া রোজা পালন করলেন ফিলিস্তিনিরা। তবে এখনও আগের দুইবারের মতোই ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই করতে হলো ইফতার। গাজা সিটি, খান ইউনিসসহ বিভিন্ন স্থানে সারি সারি টেবিল পেতে ইফতার করেছে গাজাবাসী।

একজন ফিলিস্তিনি বলেন, আগের বছর রোজায় সেহরি বা ইফতারের জন্য একটা খেজুরও পাইনি। তবে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছে।

এ বছর ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব না থাকলেও বাতাস এখনও ভারী। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার প্রতিটি বাসিন্দাই কোনো না কোনো প্রিয় মানুষকে হারিয়েছে। হারিয়েছে মাথা গোঁজার ঠাই। এমনকি যুদ্ধবিরতির মধ্যেও আইডিএফের গুলিতে মরতে হচ্ছে তাদের।

ধ্বংসস্তূপের মাঝে ইফতার করছি। আমরা খুবই কঠিন সময় পার করছি। আমাদের সাথে যা হচ্ছে তার জন্য পুরো বিশ্বের লজ্জিত হওয়া উচিৎ, এমনটাই বলছিলেন এক ফিলিস্তিনি।

গেল বছরের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে এ পর্যন্ত ছয় শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ধ্বংসস্তূপে প্রথম রোজার ইফতার করল ফিলিস্তিনিরা

প্রকাশিত সময় : ১২:০৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টানা দুই বছর পর যুদ্ধ ছাড়া রোজা পালন করলেন ফিলিস্তিনিরা। তবে এখনও আগের দুইবারের মতোই ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই করতে হলো ইফতার। গাজা সিটি, খান ইউনিসসহ বিভিন্ন স্থানে সারি সারি টেবিল পেতে ইফতার করেছে গাজাবাসী।

একজন ফিলিস্তিনি বলেন, আগের বছর রোজায় সেহরি বা ইফতারের জন্য একটা খেজুরও পাইনি। তবে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছে।

এ বছর ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব না থাকলেও বাতাস এখনও ভারী। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার প্রতিটি বাসিন্দাই কোনো না কোনো প্রিয় মানুষকে হারিয়েছে। হারিয়েছে মাথা গোঁজার ঠাই। এমনকি যুদ্ধবিরতির মধ্যেও আইডিএফের গুলিতে মরতে হচ্ছে তাদের।

ধ্বংসস্তূপের মাঝে ইফতার করছি। আমরা খুবই কঠিন সময় পার করছি। আমাদের সাথে যা হচ্ছে তার জন্য পুরো বিশ্বের লজ্জিত হওয়া উচিৎ, এমনটাই বলছিলেন এক ফিলিস্তিনি।

গেল বছরের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে এ পর্যন্ত ছয় শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ হাজার।