বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজানে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা প্রতিরোধে করণীয়

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা প্রতিরোধে ইফতারের পর অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। সম্ভব হলে ক্যাফেইনজাতীয় পানীয় (চা, কফি) এড়িয়ে চলুন। কেননা এগুলো বারবার প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বের করে দেয়, ফলে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত চা-কফি অ্যাসিডিটি বাড়াতে পারে।

সাহ্‌রিতে করণীয়

খাবার গ্রহণের ১ ঘণ্টা আগে ও পরে পানি পান করলে গলায় জ্বালাপোড়া বা গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্সের সমস্যা কমে। সাহ্‌রির সময় ঘুম থেকে উঠেই কিছু পানি পান করুন।  ফজরের আজানের কিছুক্ষণ আগে সাহ্‌রি শেষ করুন।সাহ্‌রি খাওয়ার পর একবারে অনেক বেশি পানি পান করবেন না।

ইফতারে করণীয়

বেগুনি বা পেঁয়াজু খেতে চাইলে এক–দুটির বেশি না খাওয়াই ভালো। ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা বা সেদ্ধ করে খেতে পারেন।  খাবারের আইটেম কম রাখুন, তবে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর রাখুন।  ইফতারে রাখতে পারেন:
মৌসুমি ফল,  ফলের শরবত (লেবু, আনারস, বেল)।  এ ছাড়া রাখতে পারেন ফল বা সবজির সালাদ (যেকোনো একটি)। দই-চিড়া ও ফল (ইফতার বা সাহ্‌রি—দুটিতেই উপকারী)।

ইউনিকো হসপিটালের কনসালট্যান্ট ডা. রোজানা রউফ একটি সাক্ষাৎকারে পরামর্শ দেন যে,‘‘রাতের খাবার ও সাহ্‌রির খাবারে তেল ও ঝাল কম ব্যবহার করুন। অনেকেই রাতের খাবার বাদ দিতে চান, তবে এটি সবার জন্য উপযুক্ত নয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগী, যারা ইনসুলিন বা গ্লিক্লাজাইড/গ্লিমেপেরাইডজাতীয় ওষুধ সেবন করেন, তাদের জন্য— ইফতার, রাতের খাবার কিংবা সাহ্‌রি; কোনোটিই বাদ দেওয়া যাবে না। ’’রাইজিংবিডি.কম

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রমজানে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা প্রতিরোধে করণীয়

প্রকাশিত সময় : ১০:৪৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা প্রতিরোধে ইফতারের পর অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। সম্ভব হলে ক্যাফেইনজাতীয় পানীয় (চা, কফি) এড়িয়ে চলুন। কেননা এগুলো বারবার প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বের করে দেয়, ফলে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত চা-কফি অ্যাসিডিটি বাড়াতে পারে।

সাহ্‌রিতে করণীয়

খাবার গ্রহণের ১ ঘণ্টা আগে ও পরে পানি পান করলে গলায় জ্বালাপোড়া বা গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্সের সমস্যা কমে। সাহ্‌রির সময় ঘুম থেকে উঠেই কিছু পানি পান করুন।  ফজরের আজানের কিছুক্ষণ আগে সাহ্‌রি শেষ করুন।সাহ্‌রি খাওয়ার পর একবারে অনেক বেশি পানি পান করবেন না।

ইফতারে করণীয়

বেগুনি বা পেঁয়াজু খেতে চাইলে এক–দুটির বেশি না খাওয়াই ভালো। ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা বা সেদ্ধ করে খেতে পারেন।  খাবারের আইটেম কম রাখুন, তবে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর রাখুন।  ইফতারে রাখতে পারেন:
মৌসুমি ফল,  ফলের শরবত (লেবু, আনারস, বেল)।  এ ছাড়া রাখতে পারেন ফল বা সবজির সালাদ (যেকোনো একটি)। দই-চিড়া ও ফল (ইফতার বা সাহ্‌রি—দুটিতেই উপকারী)।

ইউনিকো হসপিটালের কনসালট্যান্ট ডা. রোজানা রউফ একটি সাক্ষাৎকারে পরামর্শ দেন যে,‘‘রাতের খাবার ও সাহ্‌রির খাবারে তেল ও ঝাল কম ব্যবহার করুন। অনেকেই রাতের খাবার বাদ দিতে চান, তবে এটি সবার জন্য উপযুক্ত নয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগী, যারা ইনসুলিন বা গ্লিক্লাজাইড/গ্লিমেপেরাইডজাতীয় ওষুধ সেবন করেন, তাদের জন্য— ইফতার, রাতের খাবার কিংবা সাহ্‌রি; কোনোটিই বাদ দেওয়া যাবে না। ’’রাইজিংবিডি.কম