সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোরকা-মাস্ক পরে সমন্বয়ককে কুপিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় ইব্রাহিম খলিল শুভ নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোহাম্মদপুর থানার সমন্বয়ক এবং জুলাই হত্যা মামলার সাক্ষী।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বসিলা এলাকার একটি চা দোকানে বসে থাকা অবস্থায় ৪-৫ জন বোরকা ও মাস্ক পরা দুর্বৃত্ত তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

জানা যায়, রোববার রাতে তারাবির নামাজের পর ইব্রাহিম ও তার বন্ধুরা মিলে স্থানীয় একটি দোকানে চা খাচ্ছিলেন। এ সময় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় চড়ে আসা ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত অতর্কিতে ইব্রাহিমকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। উপস্থিত লোকজন তাদের ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় ইব্রাহিমকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। তার শরীরে একাধিক গভীর ক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে।

ইব্রাহিমের স্বজনদের দাবি, জুলাই হত্যা মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণেই তার উপর হামলা করা হয়েছে।

তবে পুলিশ বলছে, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একটি গ্রুপ দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তবে স্থানীয় চাঁদাবাজির ঘটনার জেরেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বোরকা-মাস্ক পরে সমন্বয়ককে কুপিয়ে জখম, হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত সময় : ১০:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকায় ইব্রাহিম খলিল শুভ নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোহাম্মদপুর থানার সমন্বয়ক এবং জুলাই হত্যা মামলার সাক্ষী।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বসিলা এলাকার একটি চা দোকানে বসে থাকা অবস্থায় ৪-৫ জন বোরকা ও মাস্ক পরা দুর্বৃত্ত তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

জানা যায়, রোববার রাতে তারাবির নামাজের পর ইব্রাহিম ও তার বন্ধুরা মিলে স্থানীয় একটি দোকানে চা খাচ্ছিলেন। এ সময় একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় চড়ে আসা ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত অতর্কিতে ইব্রাহিমকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তারা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। উপস্থিত লোকজন তাদের ধাওয়া দিলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় ইব্রাহিমকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে। তার শরীরে একাধিক গভীর ক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে।

ইব্রাহিমের স্বজনদের দাবি, জুলাই হত্যা মামলার সাক্ষী হওয়ার কারণেই তার উপর হামলা করা হয়েছে।

তবে পুলিশ বলছে, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একটি গ্রুপ দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। তবে স্থানীয় চাঁদাবাজির ঘটনার জেরেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।