রাজশাহী ও আশপাশের এলাকায় সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫ টাকা। জনপ্রতি সর্বোচ্চ ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩০০ টাকা। রাজশাহী জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদরাসাটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালেক।
সভায় জানানো হয়, রাজশাহীর বর্তমান বাজারদর যাচাই করে ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের ভিত্তিতে ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী গম বা আটা দিয়ে ফিতরা দিলে সর্বনিম্ন ৮৫ টাকা, যবের ক্ষেত্রে ৪০০ টাকা, খেজুরে ২৩১০ টাকা, কিসমিসে ২৬৪০ টাকা এবং পনিরের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছ
সভায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানানো হয়, শুধুমাত্র সর্বনিম্ন হারে ফিতরা আদায় না করে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লিখিত পণ্যসমূহের যেকোনো একটি বা তার বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ফিতরা প্রদান করতে।
এ ছাড়া যাকাতের নেসাবও নির্ধারণ করা হয়েছে। পুরাতন রূপার মূল্য প্রতি ভরি ২৫০০ টাকা হিসেবে ৫২.৫ ভরির মোট মূল্য দাঁড়ায় ১ লাখ ৩১ হাজার ২৫০ টাকা। এই পরিমাণ সম্পদের মালিকদের যথাযথভাবে যাকাত আদায়ের আহ্বান জানানো হয়।
সভাপতি মাওলানা আব্দুল খালেক সকল মুসল্লিদের যথাযথভাবে ফিতরা ও যাকাত আদায়ের মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

রায়হান রোহানঃ 
























