বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপের আগে নেইমারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ সামনে রেখে নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে বড় ধরনের বাজি ধরছে তার বর্তমান ক্লাব সান্তোস। দীর্ঘ চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পর ব্রাজিলিয়ান এই মহাতারকাকে বিশ্বকাপের জন্য শতভাগ প্রস্তুত করতে ‘টানা ম্যাচ’ খেলার এক বিশেষ রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন ক্লাবটির কোচ কুকা।

৩৪ বছর বয়সী নেইমার ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। সান্তোসের হয়ে শেষ ৬ ম্যাচে ৬টি গোলে অবদান রেখে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন তিনি। তবে অতি সম্প্রতি হাঁটুতে একটি ছোট চিকিৎসার কারণে ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচে তার অনুপস্থিতি ফুটবল ভক্তদের মনে কিছুটা শঙ্কার সৃষ্টি করেছিল।

সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে কোচ কুকা জানিয়েছেন, এটি মূলত নেইমারের দীর্ঘমেয়াদী ফিটনেস পরিকল্পনারই অংশ। তিনি বলেন, “আমরা নেইমারের হাঁটুতে পিআরপি (প্লেটলেট-সমৃদ্ধ প্লাজমা) থেরাপি প্রয়োগ করেছি যাতে তার শরীরের ছোটখাটো সমস্যাগুলো দ্রুত সেরে যায়। আমাদের লক্ষ্য হলো তাকে টানা ১৩টি ম্যাচ খেলানো। তার শক্তি, গতি ও সহনশীলতা আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনতেই এই কঠোর সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।”

সান্তোসের এই বিশেষ তোড়জোড় মূলত নেইমারের জাতীয় দলে ফেরার পথ সুগম করার জন্য। তবে ব্রাজিলের বর্তমান হেড কোচ কার্লো আনচেলত্তি এ বিষয়ে বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শতভাগ শারীরিক সক্ষমতা না থাকলে দলে জায়গা হবে না কোনো বড় নামের। বর্তমানে ব্রাজিল দলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মার্তিনেলি এবং তরুণ এনদ্রিকরা দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় নেইমারের জন্য দলে ফেরাটা এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে লিগামেন্টের গুরুতর চোট পাওয়ার পর থেকে হলুদ জার্সি গায়ে আর মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসে নিজের শেষ বিশ্বকাপ রাঙাতে মরিয়া এই তারকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

বিশ্বকাপের আগে নেইমারের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

প্রকাশিত সময় : ০৬:২৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ সামনে রেখে নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে বড় ধরনের বাজি ধরছে তার বর্তমান ক্লাব সান্তোস। দীর্ঘ চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পর ব্রাজিলিয়ান এই মহাতারকাকে বিশ্বকাপের জন্য শতভাগ প্রস্তুত করতে ‘টানা ম্যাচ’ খেলার এক বিশেষ রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন ক্লাবটির কোচ কুকা।

৩৪ বছর বয়সী নেইমার ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। সান্তোসের হয়ে শেষ ৬ ম্যাচে ৬টি গোলে অবদান রেখে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়েছেন তিনি। তবে অতি সম্প্রতি হাঁটুতে একটি ছোট চিকিৎসার কারণে ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচে তার অনুপস্থিতি ফুটবল ভক্তদের মনে কিছুটা শঙ্কার সৃষ্টি করেছিল।

সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে কোচ কুকা জানিয়েছেন, এটি মূলত নেইমারের দীর্ঘমেয়াদী ফিটনেস পরিকল্পনারই অংশ। তিনি বলেন, “আমরা নেইমারের হাঁটুতে পিআরপি (প্লেটলেট-সমৃদ্ধ প্লাজমা) থেরাপি প্রয়োগ করেছি যাতে তার শরীরের ছোটখাটো সমস্যাগুলো দ্রুত সেরে যায়। আমাদের লক্ষ্য হলো তাকে টানা ১৩টি ম্যাচ খেলানো। তার শক্তি, গতি ও সহনশীলতা আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনতেই এই কঠোর সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।”

সান্তোসের এই বিশেষ তোড়জোড় মূলত নেইমারের জাতীয় দলে ফেরার পথ সুগম করার জন্য। তবে ব্রাজিলের বর্তমান হেড কোচ কার্লো আনচেলত্তি এ বিষয়ে বেশ কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শতভাগ শারীরিক সক্ষমতা না থাকলে দলে জায়গা হবে না কোনো বড় নামের। বর্তমানে ব্রাজিল দলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মার্তিনেলি এবং তরুণ এনদ্রিকরা দুর্দান্ত ফর্মে থাকায় নেইমারের জন্য দলে ফেরাটা এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে লিগামেন্টের গুরুতর চোট পাওয়ার পর থেকে হলুদ জার্সি গায়ে আর মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসে নিজের শেষ বিশ্বকাপ রাঙাতে মরিয়া এই তারকা।