রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান সফর শেষ করলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, আলোচনাকে বললেন ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’

ইরানে সংক্ষিপ্ত সফর শেষ করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির। তিনি এ সফরকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ উল্লেখ করেন। সফরকালে তিনি ইরানের উচ্চপর্যায়ের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাথে একাধিক বৈঠকে অংশ নেন।

শনিবার (২৩ মে) পাকিস্তানের আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় দু’পক্ষের মধ্যে নিবিড় আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ‘উৎসাহব্যঞ্জক’ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দু’দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার লক্ষ্যেই মূলত জেনারেল আসিম মুনির তেহরানে এই মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছেন। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে এই আলোচনা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ইসলামাবাদ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ইরান সফর শেষ করলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান, আলোচনাকে বললেন ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’

প্রকাশিত সময় : ১০:০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
ইরানে সংক্ষিপ্ত সফর শেষ করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির। তিনি এ সফরকে ‘অত্যন্ত ফলপ্রসূ’ উল্লেখ করেন। সফরকালে তিনি ইরানের উচ্চপর্যায়ের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাথে একাধিক বৈঠকে অংশ নেন।

শনিবার (২৩ মে) পাকিস্তানের আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় দু’পক্ষের মধ্যে নিবিড় আলোচনা হয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ‘উৎসাহব্যঞ্জক’ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দু’দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার লক্ষ্যেই মূলত জেনারেল আসিম মুনির তেহরানে এই মধ্যস্থতাকারী ভূমিকা পালন করছেন। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে এই আলোচনা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ইসলামাবাদ।