রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদযাত্রায় সদরঘাটে প্রস্তুত ১৭২ লঞ্চ

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নদীপথে যাত্রীচাপ সামাল দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এবার শতাধিক অতিরিক্ত লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং যাত্রীদের জন্য কেবিন ভাড়ায় দেওয়া হচ্ছে ছাড়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানিয়েছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সদরঘাট টার্মিনালে মোট ১৭২টি লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাধারণ সময়ে যেখানে ৫০ থেকে ৫৫টি লঞ্চ চলাচল করে, সেখানে ঈদের সময় অতিরিক্ত লঞ্চ যুক্ত করা হচ্ছে।

লঞ্চ মালিকরা জানান, যাত্রী আকৃষ্ট করতে সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম দামে কেবিন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। একটি সিঙ্গেল কেবিনের সরকারি ভাড়া ১ হাজার ৭১৬ টাকা হলেও তা ১ হাজার ২০০ টাকায় দেওয়া হচ্ছে।

নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পন্টুনের আশপাশ থেকে নৌকা চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি পন্টুন এলাকায় নৌ পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশ জানিয়েছে, সদরঘাটের ১ থেকে ২৫ নম্বর পন্টুন পর্যন্ত চারটি টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে। নৌকা যাতে টহল ভেঙে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

এ ছাড়া হকারমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত, ফ্রি কুলি সেবা চালু এবং ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যাত্রী পূর্ণ হলে লঞ্চ ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া কোনো লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না এবং দুর্ঘটনামুক্ত ঈদযাত্রা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ঈদযাত্রায় সদরঘাটে প্রস্তুত ১৭২ লঞ্চ

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৩:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে নদীপথে যাত্রীচাপ সামাল দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এবার শতাধিক অতিরিক্ত লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং যাত্রীদের জন্য কেবিন ভাড়ায় দেওয়া হচ্ছে ছাড়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানিয়েছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সদরঘাট টার্মিনালে মোট ১৭২টি লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সাধারণ সময়ে যেখানে ৫০ থেকে ৫৫টি লঞ্চ চলাচল করে, সেখানে ঈদের সময় অতিরিক্ত লঞ্চ যুক্ত করা হচ্ছে।

লঞ্চ মালিকরা জানান, যাত্রী আকৃষ্ট করতে সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম দামে কেবিন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। একটি সিঙ্গেল কেবিনের সরকারি ভাড়া ১ হাজার ৭১৬ টাকা হলেও তা ১ হাজার ২০০ টাকায় দেওয়া হচ্ছে।

নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পন্টুনের আশপাশ থেকে নৌকা চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি পন্টুন এলাকায় নৌ পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

নৌ পুলিশ জানিয়েছে, সদরঘাটের ১ থেকে ২৫ নম্বর পন্টুন পর্যন্ত চারটি টহল টিম দায়িত্ব পালন করছে। নৌকা যাতে টহল ভেঙে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।

এ ছাড়া হকারমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত, ফ্রি কুলি সেবা চালু এবং ওয়াচ টাওয়ার থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যাত্রী পূর্ণ হলে লঞ্চ ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া কোনো লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না এবং দুর্ঘটনামুক্ত ঈদযাত্রা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।