মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনগণের আস্থা আনতে ঐকমত্যে না পৌঁছানোর উপায় নেই: সৈয়দা রিজওয়ানা

জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো করতে ঐকমত্যে না পৌঁছানোর কোনো উপায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বুধবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “গতানুগতিক কিছু চ্যালেঞ্জ তো থাকেই। এখন একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, বিভিন্ন সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্য গড়ার। সেটা অবশ্যই একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এটাকে চ্যালেঞ্জ বলেন আর না বলেন, একটা প্রক্রিয়া তো বটেই। আরেকটা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, নির্বাচনটা সুষ্ঠুভাবে করে দেওয়া, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা।”

তিনি আরো বলেন, “আরেকটা বড় বিষয় হচ্ছে সবসময় আমরা বলি, জুলাই-আগস্টে যে হত্যাকাণ্ড, যে বর্বরতা হলো তার একটা সুষ্ঠু বিচার। এখন সীমিত সময়ে আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব এই বিচারের কিছু কিছু রায় যদি মানুষের সামনে দিতে পারি। তাদের মধ্যে যেন ওই আস্থাটা আসে, সত্যিই এই বর্বরতার একটা বিচার হচ্ছে।”

ঐকমত্য কতটা হবে বলে প্রত্যাশা করেন এমন প্রশ্নে রিজওয়ানা হাসান বলেন, “জাতীয় স্বার্থে ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা ঐকমত্য করব। একেকজন মানুষ একেকটা বিষয়কে একেকভাবে দেখেন। দৃষ্টি ভঙ্গি একেকভাবে আনেন। সেই দৃষ্টিভঙ্গির যে তফাতগুলো আছে, সেগুলোকে কমিয়ে একটা জায়গায় নিয়ে আসা, সেটাতে একটু সময় লাগবে। একটা প্রক্রিয়ার ব্যাপার। সেখানে নিশ্চয়ই তারা সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকেই প্রধান্য দেবেন।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনগণের আস্থা আনতে ঐকমত্যে না পৌঁছানোর উপায় নেই: সৈয়দা রিজওয়ানা

প্রকাশিত সময় : ১২:৪৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫

জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো করতে ঐকমত্যে না পৌঁছানোর কোনো উপায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বুধবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, “গতানুগতিক কিছু চ্যালেঞ্জ তো থাকেই। এখন একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, বিভিন্ন সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্য গড়ার। সেটা অবশ্যই একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এটাকে চ্যালেঞ্জ বলেন আর না বলেন, একটা প্রক্রিয়া তো বটেই। আরেকটা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, নির্বাচনটা সুষ্ঠুভাবে করে দেওয়া, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা।”

তিনি আরো বলেন, “আরেকটা বড় বিষয় হচ্ছে সবসময় আমরা বলি, জুলাই-আগস্টে যে হত্যাকাণ্ড, যে বর্বরতা হলো তার একটা সুষ্ঠু বিচার। এখন সীমিত সময়ে আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব এই বিচারের কিছু কিছু রায় যদি মানুষের সামনে দিতে পারি। তাদের মধ্যে যেন ওই আস্থাটা আসে, সত্যিই এই বর্বরতার একটা বিচার হচ্ছে।”

ঐকমত্য কতটা হবে বলে প্রত্যাশা করেন এমন প্রশ্নে রিজওয়ানা হাসান বলেন, “জাতীয় স্বার্থে ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা ঐকমত্য করব। একেকজন মানুষ একেকটা বিষয়কে একেকভাবে দেখেন। দৃষ্টি ভঙ্গি একেকভাবে আনেন। সেই দৃষ্টিভঙ্গির যে তফাতগুলো আছে, সেগুলোকে কমিয়ে একটা জায়গায় নিয়ে আসা, সেটাতে একটু সময় লাগবে। একটা প্রক্রিয়ার ব্যাপার। সেখানে নিশ্চয়ই তারা সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকেই প্রধান্য দেবেন।”