রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুলনায় বিভক্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতারা

পুলিশের এস আই সুকান্ত দাসকে গ্রেপ্তারের পরও পুলিশ কমিশনারের পতদ্যাগসহ নানা ইস্যুতে অটল খুলনার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কতিপয় নেতারা। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (অপর অংশ) নেতৃত্বীন কয়েকটি সংগঠন বলছে এ আন্দোলনের কোনও যৌক্তিকতা নেই।

আজ সোমবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আট সংগঠনের পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জুলাই স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাসব্যাপী ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। আগামীকাল ১ জুলাই থেকে এ কর্মসূচি শুরু হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (একাংশ), রেড জুলাই, জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্স, জাস্টিস ফর জুলাই, ইনকিলাব মঞ্চ, আপ বাংলাদেশ, রঙমশাল ও পুসাবের নেতৃবৃন্দ। লিখিত বক্তব্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আব্দুল্লাহ-আল সাফিন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এস আই সুকান্ত দাসকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় আমরা আন্দোলন করি। পরে তাকে চুয়াডাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তারের করা হয়। তার গ্রেপ্তারের পর আন্দোলন সফল হওয়ায় আমরা আন্দোলন থেকে সরে এসেছি। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি আমাদের গুটিকয়েক সহযোদ্ধাদের ব্যবহার করে একটি বিশেষ মহল আন্দোলনটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। যার দায়ভার কোনোভাবেই জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা নেবে না। জুলাইকে ব্যবহার করে এমন কোনো কাজ করা যাবে না; যা জুলাই আন্দোলনকে বিতর্কিত করে। কেউ এমন কাজ করতে চাইলে আমরা তাদের প্রতিহত করব।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা বলা হয়, জুলাই কর্মসূচির সঙ্গে মেলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। যারা মেলার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সর্ম্পক নেই।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল দৃষ্টিভঙ্গি অন্যত্র ঘুরিয়ে দিতে পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে সরব। এরপর দেখা যাবে এসআই সুকান্ত ইস্যু বাদ দিয়ে অন্য কোনো কর্মকর্তার পদত্যাগ দাবিতে ওই মহলটি সরব হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

খুলনায় বিভক্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতারা

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

পুলিশের এস আই সুকান্ত দাসকে গ্রেপ্তারের পরও পুলিশ কমিশনারের পতদ্যাগসহ নানা ইস্যুতে অটল খুলনার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কতিপয় নেতারা। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের (অপর অংশ) নেতৃত্বীন কয়েকটি সংগঠন বলছে এ আন্দোলনের কোনও যৌক্তিকতা নেই।

আজ সোমবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আট সংগঠনের পক্ষ থেকে এমন কথা বলা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জুলাই স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাসব্যাপী ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। আগামীকাল ১ জুলাই থেকে এ কর্মসূচি শুরু হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (একাংশ), রেড জুলাই, জুলাই রেভ্যুলেশনারি এলায়েন্স, জাস্টিস ফর জুলাই, ইনকিলাব মঞ্চ, আপ বাংলাদেশ, রঙমশাল ও পুসাবের নেতৃবৃন্দ। লিখিত বক্তব্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আব্দুল্লাহ-আল সাফিন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এস আই সুকান্ত দাসকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় আমরা আন্দোলন করি। পরে তাকে চুয়াডাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তারের করা হয়। তার গ্রেপ্তারের পর আন্দোলন সফল হওয়ায় আমরা আন্দোলন থেকে সরে এসেছি। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি আমাদের গুটিকয়েক সহযোদ্ধাদের ব্যবহার করে একটি বিশেষ মহল আন্দোলনটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। যার দায়ভার কোনোভাবেই জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা নেবে না। জুলাইকে ব্যবহার করে এমন কোনো কাজ করা যাবে না; যা জুলাই আন্দোলনকে বিতর্কিত করে। কেউ এমন কাজ করতে চাইলে আমরা তাদের প্রতিহত করব।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা বলা হয়, জুলাই কর্মসূচির সঙ্গে মেলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। যারা মেলার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সর্ম্পক নেই।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল দৃষ্টিভঙ্গি অন্যত্র ঘুরিয়ে দিতে পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগ দাবিতে সরব। এরপর দেখা যাবে এসআই সুকান্ত ইস্যু বাদ দিয়ে অন্য কোনো কর্মকর্তার পদত্যাগ দাবিতে ওই মহলটি সরব হচ্ছে।