জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণ অপরিহার্য। সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আগামী দিনের সবুজায়নেও ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকে আরও গুরুত্ব দেবে।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যদি কোনো মুসলমান একটি বৃক্ষ রোপণ করে অথবা কোনো শস্য উৎপাদন করে এবং তা থেকে কোনো মানুষ কিংবা পাখি অথবা পশু ভক্ষণ করে, তাহলে তা সে ব্যক্তির জন্য সাদকাস্বরূপ।’ (সহীহ বুখারী: হাদীস-২৩২০, সহীহ মুসলিম: হাদীস-১৫৫৩)
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৭জুলাই) সকাল ১১টায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বরেন্দ্র সচেতন সমাজের আয়োজনে নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর আনসার উদ্দিন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর আনসার উদ্দিন একটি গাছের চারা রোপণ করেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রফেসর আনসার উদ্দিন বলেন ‘গাছ আমাদের আলো, বাতাস, ফল ও ছায়া দেয়। এ ছাড়াও গাছ পাহাড় ধস ঠেকায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে আমাদের রক্ষা করে। গাছের উপকার বলে শেষ করতে পারব না। গাছ আমাদের পরম বন্ধু।
অনুষ্ঠানে আরও বলেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বরেন্দ্র সচেতন সমাজ ,রোটার্যক্ট ক্লাব অফ এপ্রোচ রাজশাহী এবং গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশন।সংগঠনকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সংগঠনটি সারা দেশে যে এই কর্মসূচি পালন করছে সেগুলো নিঃসন্দেহে মানবিক এবং পরিবেশবান্ধব। আমি সাধুবাদ জানাই এমন মহতী উদ্যোগকে। সেই সঙ্গে ‘ বরেন্দ্র সচেতন সমাজ পরিবারকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রায়হান রোহান বলেন গাছ আমাদের ছায়া দে, বাতাস দে, প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, তাই আমাদের সবাইকে বৃক্ষ রোপনে এগিয়ে আসতে হবে, দেশ, মাটি ও মানুষের কল্যাণে বৃক্ষ রোপনের কোন বিকল্প নেই । বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোকপাত করেন এবং সামাজিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার আহ্বান ।’
রায়হান রোহান বলেন, ‘মানুষ আর গাছ একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ও নির্ভরশীল। গাছ ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারবে না। কারণ মানুষের বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন গাছ সরবরাহ করে। আবার গাছের প্রয়োজনীয় কার্বন ডাই অক্সাইড মানুষ গাছকে দেয়।’তাই পরিবেশ সমুন্নত রাখতে আমাদের বেশি বেশি গাছ রোপণ করতে হবে। তোমরা সবাই একটি করে হলেও গাছ রোপণ করবে। নিজের জমি না থাকলে অন্যের জমিতে হলেও রোপণ করবে। কোনো জমি না থাকলে বাড়ির ছাদে গাছ লাগাবে তোমরা।’
রায়হান রোহান সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় । আমগাছ, জামগাছ, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া, নিম, বট, পাকুড়, লেবু কড়ইসহ অনেক বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয় । বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রোটার্যক্ট ক্লাব অফ এপ্রোচ রাজশাহী এবং গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশন সদস্যদের ।
সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা, গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশান ত্যাগী ভলান্টিয়ার মাহফুজ আহম্মেদ ত্যাগী ভলান্টিয়ার, গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশান সাধারন সম্পাদক মোঃজুবায়ের আমিন, গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশান ত্যাগী ভলেন্টিয়ার সহ সভাপতি মো: রাব্বি ,গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশান ত্যাগী ভলান্টিয়ার প্রচার সম্পাদক মুস্তাকিম বিল্লাহ, রোটার্যক্ট ক্লাব অফ এ্যাপ্রোচ রাজশাহী সদস্য রোটার্যক্টর. আসাদুজ্জামান , রোটার্যক্টর সদস্যসামিন ইয়াসার প্রীতম , রোটার্যক্ট ক্লাব অফ এ্যাপ্রোচ রাজশাহী রোটার্যক্টর. মেহজাবিন লায়লা ঐশী ক্লাব সার্ভিস ডিরেক্টর , রোটার্যক্ট ক্লাব অফ এ্যাপ্রোচ রাজশাহী সভাপতি রোটার্যক্টর. ফাতেমা মোস্তারীসহ শিক্ষক-শিক্ষিকার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয় ।
সহযোগিতায়:রোটার্যক্ট ক্লাব অফ এপ্রোচ রাজশাহী এবং গ্লোবাল কমিউনিটি অরগানাইজেশন ।

রায়হান রোহানঃ 

























