বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পহেলা আগষ্টে শাহবাগে জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষে-বিপক্ষে মারামারি করে। এতে আমরা ব্যাথিত হই, দেশের মানুষ ব্যাথিত হয়, আমরা আশাহত হই। দুভোর্গ এই জাতির। এটা কষ্টের, এটা দীর্ঘ লড়াই ও সংগ্রামের।
তিনি আরও বলেন, জুলাইযোদ্ধা, নামে জুলাইযোদ্ধা। প্রকৃত পক্ষ শাহবাগে যেটা হয়েছে এটাকে দেশের মানুষ কি বলবেন? জুলাইযোদ্ধা কি এটা করতে পারে? পারেনা? শুধু কি শাহবাগে জুলাই যোদ্ধা ছিল? না সারাদেশের জুলাইযোদ্ধা ছিল? অবশ্যই সারাদেশের মানুষ জুলাইযোদ্ধা ছিল?
শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার চাঁদখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে লাহারকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচন পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরো বলেন, কিছু সংখ্যাক জুলাই যোদ্ধার মারামারি নামে যদি আমাদের আহত করে, আমরা যদি তাদের কারণে কষ্ট পাই। দেশের মানুষ যদি কষ্ট পায়। তাহলে স্বাভাবিকভাবে ফ্যাসিস্ট সুযোগ পায়। সবাই মিলে হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম- লড়াই করেছি। এই লড়াই করতে গিয়ে হেলিকপ্টার থেকে গুলি করে শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার শিকার হয়েছে ছাত্র-জনতা। বিএনপির অসংখ্যা নেতাকর্মী গুম-খুন ও হত্যার শিকার হয়েছে। আন্দোলনের কারণে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছে, পালিয়ে গেছে। কিন্তু সারা বাংলাদেশের সহযোদ্ধারা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম।
এ্যানি আরও বলেন, গত এক বছরে অনেক রাজনৈতিকদল ও দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাদের অনেক করণীয় ছিল। তারা সেটা এখনও করছেননা। বিশেষ করে নতুন করে রাজনৈতিক দল হবে। সে জুলাই আন্দোলনের পর, সেটা এদেশের মানুষ চায়নি। কারণ তারা মেধার জন্য লড়াই করছে, কোটার জন্য আন্দোলন করছে।
রাজনীতিবিদরা যেটা খারাপ করতেন সেটা ধরিয়ে দিয়ে বাহবা নিতেন। মধ্যমণি হয়ে থাকতেন। কিন্তু সেটা তারা করেননি।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরো বলেন, দেশব্যাপী চলমান অস্থিরতা এবং প্রশাসনের ব্যর্থতা প্রমাণ করে। জনগণের নিরাপত্তা আজ হুমকির মুখে। তারা দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।

রিপোর্টারের নাম 

























