শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনে বলপ্রয়োগে ক্ষুব্ধ হাসনাত

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে পুলিশের বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ লেখেন, ‘আমি আজ বুয়েট শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের কোনো যৌক্তিকতা নেই।’ এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে পূর্বঘোষিত ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর শাহবাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করেন বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে পৌঁছালে পুলিশ সদস্যরা ব্যারিকেড দিয়ে তাদের পথ রোধ করে। পরে শিক্ষার্থীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাতাসে টিয়ার গ্যাসের শেলের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনে বলপ্রয়োগে ক্ষুব্ধ হাসনাত

প্রকাশিত সময় : ১১:০০:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে পুলিশের বলপ্রয়োগের নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। বুধবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। হাসনাত আব্দুল্লাহ লেখেন, ‘আমি আজ বুয়েট শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আন্দোলনের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের কোনো যৌক্তিকতা নেই।’ এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে পূর্বঘোষিত ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর শাহবাগ থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করেন বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে পৌঁছালে পুলিশ সদস্যরা ব্যারিকেড দিয়ে তাদের পথ রোধ করে। পরে শিক্ষার্থীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাতাসে টিয়ার গ্যাসের শেলের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।