শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির উদার দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা অর্জনে সহায়ক হবে: মঈন খান

বিএনপির উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ অর্জনে সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে মঈন খানের বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন ডেনমার্ক রাষ্ট্রদূত এইচ ই মি ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মোলার। তখন মঈন খান এসব কথা বলেন। বৈঠকে তারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, তারা চট্টগ্রাম বন্দর এবং কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী।

এ ছাড়া মঈন খান ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের মধ্যে উচ্চকক্ষ এবং পিআর ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। মঈন খান পিআর ব্যবস্থার সুবিধা-অসুবিধাগুলো বিশ্লেষণ করেন এবং বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন।

বৈঠকে তারা আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক কাঠামো অর্জন করলে, দুই দেশের জনগণের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

 

সূত্র: কালের কণ্ঠ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিএনপির উদার দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা অর্জনে সহায়ক হবে: মঈন খান

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপির উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ অর্জনে সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে মঈন খানের বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন ডেনমার্ক রাষ্ট্রদূত এইচ ই মি ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মোলার। তখন মঈন খান এসব কথা বলেন। বৈঠকে তারা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, তারা চট্টগ্রাম বন্দর এবং কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী।

এ ছাড়া মঈন খান ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের মধ্যে উচ্চকক্ষ এবং পিআর ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। মঈন খান পিআর ব্যবস্থার সুবিধা-অসুবিধাগুলো বিশ্লেষণ করেন এবং বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরেন।

বৈঠকে তারা আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক কাঠামো অর্জন করলে, দুই দেশের জনগণের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

 

সূত্র: কালের কণ্ঠ