মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে’,- ফিফা প্রেসিডেন্ট

বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বলেছেন, বাংলাদেশ শুধু বিশ্বকাপ খেলতেই পারে না, ফিফার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যই হলো—বাংলাদেশের মতো যেসব দেশ এখনো বিশ্বকাপে খেলেনি, তাদের সেই মঞ্চে নিয়ে আসা।

‘আস্ক মি’ শীর্ষক এক ভিডিও আয়োজনে ইনফান্তিনো বলেন, আগামী বছরের বিশ্বকাপেই এর প্রমাণ মিলছে। “আমরা ইতোমধ্যে কয়েকটি নতুন দেশকে বিশ্বকাপে পেয়েছি, যারা আগে কখনো অংশ নেয়নি। আফ্রিকা থেকে কেপ ভার্দে, কনক্যাকাফ অঞ্চল থেকে কুরাসাও—এছাড়া উজবেকিস্তান ও জর্ডান প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে।”

ফিফা প্রেসিডেন্টের চোখে বাংলাদেশও সেই সম্ভাবনাময় তালিকাতেই। “বাংলাদেশ একটি বড় ফুটবলপ্রেমী দেশ। এখানে ফুটবল খুব দ্রুত উন্নতি করছে। তাই বাংলাদেশেরও অবশ্যই সুযোগ আছে”, বলেন তিনি।

বাংলাদেশ ফুটবলের অগ্রগতিতে ফিফার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন ইনফান্তিনো। তিনি জানান, ফিফা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। “আমরা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এবং দেশের ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত সব মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করছি। লক্ষ্য একটাই—প্রতিভা তৈরি করা এবং সেই প্রতিভাকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়া।”

ইনফান্তিনোর বিশ্বাস, প্রতিভার কোনো ভৌগোলিক সীমা নেই। “বিশ্বের সর্বত্রই প্রতিভা রয়েছে, বাংলাদেশেও রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সঠিক সুযোগ, কাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা,” বলেন তিনি।

সবশেষে আশার বার্তাই দেন ফিফা সভাপতি। তাঁর কথায়, “আমরা সত্যিই আশা করি, খুব শিগগীরই বাংলাদেশকে ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে দেখতে পাব।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে’,- ফিফা প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত সময় : ১১:০৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বলেছেন, বাংলাদেশ শুধু বিশ্বকাপ খেলতেই পারে না, ফিফার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যই হলো—বাংলাদেশের মতো যেসব দেশ এখনো বিশ্বকাপে খেলেনি, তাদের সেই মঞ্চে নিয়ে আসা।

‘আস্ক মি’ শীর্ষক এক ভিডিও আয়োজনে ইনফান্তিনো বলেন, আগামী বছরের বিশ্বকাপেই এর প্রমাণ মিলছে। “আমরা ইতোমধ্যে কয়েকটি নতুন দেশকে বিশ্বকাপে পেয়েছি, যারা আগে কখনো অংশ নেয়নি। আফ্রিকা থেকে কেপ ভার্দে, কনক্যাকাফ অঞ্চল থেকে কুরাসাও—এছাড়া উজবেকিস্তান ও জর্ডান প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করেছে।”

ফিফা প্রেসিডেন্টের চোখে বাংলাদেশও সেই সম্ভাবনাময় তালিকাতেই। “বাংলাদেশ একটি বড় ফুটবলপ্রেমী দেশ। এখানে ফুটবল খুব দ্রুত উন্নতি করছে। তাই বাংলাদেশেরও অবশ্যই সুযোগ আছে”, বলেন তিনি।

বাংলাদেশ ফুটবলের অগ্রগতিতে ফিফার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন ইনফান্তিনো। তিনি জানান, ফিফা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। “আমরা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এবং দেশের ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত সব মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করছি। লক্ষ্য একটাই—প্রতিভা তৈরি করা এবং সেই প্রতিভাকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়া।”

ইনফান্তিনোর বিশ্বাস, প্রতিভার কোনো ভৌগোলিক সীমা নেই। “বিশ্বের সর্বত্রই প্রতিভা রয়েছে, বাংলাদেশেও রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সঠিক সুযোগ, কাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা,” বলেন তিনি।

সবশেষে আশার বার্তাই দেন ফিফা সভাপতি। তাঁর কথায়, “আমরা সত্যিই আশা করি, খুব শিগগীরই বাংলাদেশকে ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে দেখতে পাব।”