সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বললেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সম্পর্কে জামায়াত নেতার করা আপত্তিকর মন্তব্যের ঘটনায় দলটিকে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে বললেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে তার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

নাছির উদ্দীন ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সম্পর্কে জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসান যে “মাদকের আড্ডাখানা” ও “বেশ্যাখানা” বলার মতো কুরুচিপূর্ণ, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন — তা কেবল ডাকসুকে অপমান নয়, বরং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো বর্তমান-সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, এবং এদেশের গৌরবোজ্জ্বল উচ্চশিক্ষার ইতিহাসকেই চরমভাবে অপমানিত করেছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ডাকসু এদেশের গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতির সূতিকাগার। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—প্রতিটি ঐতিহাসিক অর্জনে ডাকসুর ভূমিকা স্বর্ণাক্ষরে লেখা। সেই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে এমন অশালীন ভাষা ব্যবহার জামায়াতী রাজনীতির চরম দেউলিয়াপনার বহিঃপ্রকাশ। এ ছাড়া, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে এমন কুরূচিপূর্ণ বক্তব্য স্পষ্ট পদ্ধতিগত নারী-বিদ্বেষ (সিস্টেমেটিক মিসওজেনি)।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক লেখেন, ‘আসলে জামায়াত নেতার এই বক্তব্যে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ ‘নিমগাছে কখনো আম ফলে না’। যাদের রাজনৈতিক ডিএনএ-তে নারী-বিদ্বেষ, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ইতিহাস লেগে আছে, তাদের মুখ থেকে এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করা যায় না। ১৯৭১ সালে এই সংগঠনের নেতা-কর্মীরাই পাকিস্তানি হায়েনাদের সাথে মিলে এদেশের লাখ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির সহযোগী হয়েছিল। জনসভায় দাঁড়িয়ে এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য মূলত তাদের সেই পুরোনো অন্ধকার ও নারী-বিদ্বেষী মানসিকতারই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি লেখেন, ‘এই বক্তব্য থেকে এটি দিনের আলোর মতো স্পষ্ট যে, এই জামায়াত যদি কোনোভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হতে পারে, তবে তারা এদেশের নারীদের জন্য এক ভয়াবহ ও চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে। তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার অর্থই হবে—নারীদের ঘরে বন্দি করা, কর্মক্ষেত্রে নারীদের পদযাত্রা থামিয়ে দেওয়া এবং প্রতিটি পদে পদে তাদের অবমাননা করা।’

ডাকসুর নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে নাসির লেখেন, ‘সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো বর্তমান ডাকসু নেতৃত্বের ভূমিকা। যারা তুচ্ছ ঘটনায় লম্বা বিবৃতি দেয়, তারা আজ রহস্যজনকভাবে নীরব! জামাত নেতার এমন জঘন্য বক্তব্যের পরেও অফিশিয়ালি কোনো প্রতিবাদ না জানানোই প্রমাণ করে যে, শিবির পরিচালিত এই বর্তমান ডাকসু এখন জামাতের ‘দলদাসে’ পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডাকসুর জন্য এটি চরম লজ্জার।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমি এই ন্যাক্কারজনক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ও নারী শিক্ষার্থীদের মর্যাদা নিয়ে এই কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জন্য দল হিসেবে জামায়াতকে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে।’

প্রসঙ্গত, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বরগুনার পাথরঘাটার কাটাখালী এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান ডাকসু নিয়ে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে বক্তব্য দেন। পরদিন রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

পাশাপাশি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন ফেসবুক পোস্টে ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমার সমালোচনাও করেছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমার একের পর এক অমানবিক ও স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ড সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে। কখনো অসহায় বৃদ্ধকে লাঞ্ছিত করা, তো কখনো কোমলমতি শিশুদের কান ধরে ওঠবস করানো—এই কি একজন ছাত্র প্রতিনিধির কাজ? আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই ধৃষ্টতা তিনি কোথায় পেলেন? বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ধরনেরঅমানবিক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

নাছির উদ্দীন ‍আরও লেখেন, ‘বস্তবতা হলো, সর্বমিত্রের এই দানবীয় দাপট তার একার নয়; বরং এর পেছনে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর পরিকল্পিত ইন্ধন। আপনারা জানেন, তিনি ছাত্রশিবির মনোনীত প্যানেল থেকে নির্বাচিত। পর্দার সামনে সর্বমিত্রের মুখ দেখা গেলেও, এসব অরাজকতার নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে মূলত শিবির। এটি তাদের চিরচেনা দমনমূলক, সহিংস ও কর্তৃত্ববাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই এক কদর্য বহিঃপ্রকাশ। সর্বমিত্রের এহেন কর্মকাণ্ড প্রমাণ করেছে, শিবিরের হাতে ছাত্রসংসদের দায়িত্ব দেওয়া বানরের হাতে খন্তা দেওয়ারই নামান্তর।’

তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্রদলের এই নেতা লেখেন, ‘স্পষ্ট করে বলতে চাই, বিশ্ববিদ্যালয় কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী কিংবা ব্যক্তির আধিপত্য প্রদর্শনের আখড়া নয়; এটি মুক্তবুদ্ধি, বিজ্ঞানমনস্কতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার কেন্দ্র। তাই সর্বমিত্র চাকমার এই ধারাবাহিক স্বেচ্ছাচারিতামূলক, বেআইনি ও মানবাধিকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।’

শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘অবিলম্বে একটি যথাযথ তদন্ত কমিটি গঠন করে এই ‘ছাত্র নামধারী’ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। শিক্ষা চত্বরে কোনো ‘জুলুমবাজ’-এর ঠাঁই হতে পারে না।’

আমাদের সময়

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বললেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক

প্রকাশিত সময় : ০৫:১৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সম্পর্কে জামায়াত নেতার করা আপত্তিকর মন্তব্যের ঘটনায় দলটিকে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে বললেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে তার নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।

নাছির উদ্দীন ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সম্পর্কে জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসান যে “মাদকের আড্ডাখানা” ও “বেশ্যাখানা” বলার মতো কুরুচিপূর্ণ, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন — তা কেবল ডাকসুকে অপমান নয়, বরং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো বর্তমান-সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, এবং এদেশের গৌরবোজ্জ্বল উচ্চশিক্ষার ইতিহাসকেই চরমভাবে অপমানিত করেছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘ডাকসু এদেশের গণতান্ত্রিক ছাত্ররাজনীতির সূতিকাগার। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—প্রতিটি ঐতিহাসিক অর্জনে ডাকসুর ভূমিকা স্বর্ণাক্ষরে লেখা। সেই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে এমন অশালীন ভাষা ব্যবহার জামায়াতী রাজনীতির চরম দেউলিয়াপনার বহিঃপ্রকাশ। এ ছাড়া, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে এমন কুরূচিপূর্ণ বক্তব্য স্পষ্ট পদ্ধতিগত নারী-বিদ্বেষ (সিস্টেমেটিক মিসওজেনি)।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক লেখেন, ‘আসলে জামায়াত নেতার এই বক্তব্যে অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ ‘নিমগাছে কখনো আম ফলে না’। যাদের রাজনৈতিক ডিএনএ-তে নারী-বিদ্বেষ, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ইতিহাস লেগে আছে, তাদের মুখ থেকে এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করা যায় না। ১৯৭১ সালে এই সংগঠনের নেতা-কর্মীরাই পাকিস্তানি হায়েনাদের সাথে মিলে এদেশের লাখ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির সহযোগী হয়েছিল। জনসভায় দাঁড়িয়ে এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য মূলত তাদের সেই পুরোনো অন্ধকার ও নারী-বিদ্বেষী মানসিকতারই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি লেখেন, ‘এই বক্তব্য থেকে এটি দিনের আলোর মতো স্পষ্ট যে, এই জামায়াত যদি কোনোভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হতে পারে, তবে তারা এদেশের নারীদের জন্য এক ভয়াবহ ও চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে। তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার অর্থই হবে—নারীদের ঘরে বন্দি করা, কর্মক্ষেত্রে নারীদের পদযাত্রা থামিয়ে দেওয়া এবং প্রতিটি পদে পদে তাদের অবমাননা করা।’

ডাকসুর নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে নাসির লেখেন, ‘সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো বর্তমান ডাকসু নেতৃত্বের ভূমিকা। যারা তুচ্ছ ঘটনায় লম্বা বিবৃতি দেয়, তারা আজ রহস্যজনকভাবে নীরব! জামাত নেতার এমন জঘন্য বক্তব্যের পরেও অফিশিয়ালি কোনো প্রতিবাদ না জানানোই প্রমাণ করে যে, শিবির পরিচালিত এই বর্তমান ডাকসু এখন জামাতের ‘দলদাসে’ পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডাকসুর জন্য এটি চরম লজ্জার।’

তিনি আরও লেখেন, ‘আমি এই ন্যাক্কারজনক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ও নারী শিক্ষার্থীদের মর্যাদা নিয়ে এই কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জন্য দল হিসেবে জামায়াতকে অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে।’

প্রসঙ্গত, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বরগুনার পাথরঘাটার কাটাখালী এলাকায় এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান ডাকসু নিয়ে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করে বক্তব্য দেন। পরদিন রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

পাশাপাশি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন ফেসবুক পোস্টে ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমার সমালোচনাও করেছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্বমিত্র চাকমার একের পর এক অমানবিক ও স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ড সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে। কখনো অসহায় বৃদ্ধকে লাঞ্ছিত করা, তো কখনো কোমলমতি শিশুদের কান ধরে ওঠবস করানো—এই কি একজন ছাত্র প্রতিনিধির কাজ? আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এই ধৃষ্টতা তিনি কোথায় পেলেন? বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ধরনেরঅমানবিক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

নাছির উদ্দীন ‍আরও লেখেন, ‘বস্তবতা হলো, সর্বমিত্রের এই দানবীয় দাপট তার একার নয়; বরং এর পেছনে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর পরিকল্পিত ইন্ধন। আপনারা জানেন, তিনি ছাত্রশিবির মনোনীত প্যানেল থেকে নির্বাচিত। পর্দার সামনে সর্বমিত্রের মুখ দেখা গেলেও, এসব অরাজকতার নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ছে মূলত শিবির। এটি তাদের চিরচেনা দমনমূলক, সহিংস ও কর্তৃত্ববাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতিরই এক কদর্য বহিঃপ্রকাশ। সর্বমিত্রের এহেন কর্মকাণ্ড প্রমাণ করেছে, শিবিরের হাতে ছাত্রসংসদের দায়িত্ব দেওয়া বানরের হাতে খন্তা দেওয়ারই নামান্তর।’

তীব্র নিন্দা জানিয়ে ছাত্রদলের এই নেতা লেখেন, ‘স্পষ্ট করে বলতে চাই, বিশ্ববিদ্যালয় কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী কিংবা ব্যক্তির আধিপত্য প্রদর্শনের আখড়া নয়; এটি মুক্তবুদ্ধি, বিজ্ঞানমনস্কতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার কেন্দ্র। তাই সর্বমিত্র চাকমার এই ধারাবাহিক স্বেচ্ছাচারিতামূলক, বেআইনি ও মানবাধিকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।’

শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘অবিলম্বে একটি যথাযথ তদন্ত কমিটি গঠন করে এই ‘ছাত্র নামধারী’ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। শিক্ষা চত্বরে কোনো ‘জুলুমবাজ’-এর ঠাঁই হতে পারে না।’

আমাদের সময়