শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সপ্তম ব্যালন ডি’অর জিতলেন মেসি

প্রত্যাশিতই ছিল। সেটা যেন স্রেফ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হল। রেকর্ড সপ্তমবার পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতলেন ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসি। তাঁর সবথেকে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর থেকে জিতেছে দুটি বেশি ব্যালন ডি’অর। মেসিকে ঘিরে সেই উন্মাদনার মধ্যেই মহিলাদের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেন এবং বার্সেলোনার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। বিশ্বের সেরা অনূর্ধ্ব-২১ খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পেড্রি। বিশ্বের সেরা গোলকিপার হয়েছেন জিয়ানলুইজি দোনারুমা।

ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে মেসি পেছনে ফেলেছেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানদোস্কি ও রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি স্ট্রাইকার কারিম বেনজেমাকে। এবার এই লড়াইয়ে অনেক পিছিয়ে ছিলেন সময়ের আরেক অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। খবর স্কাই স্পোর্টস ও ইউরো স্পোর্টসের।

৩৪ বছর বয়সী মেসি বছরের প্রথম ভাগে বার্সেলোনার হয়ে ছিলেন দুরন্ত ফর্মে। এরপর আর্জেন্টিনার হয়ে জিতেছেন পরম আরাধ্য কোপা আমেরিকা শিরোপা। সেই আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সর্বোচ্চ এসিস্টদাতা ছিলেন মেসি। টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারও উঠেছিল তাঁর হাতেই।

নানা নাটকীয়তা শেষে মেসি বার্সেলোনা ছেড়েছেন এরপর। নতুন ক্লাব পিএসজিতে এরই মধ্যে নিজেকে মানিয়েও নিয়েছেন তিনি। মেসির হাত ধরেই প্রথমবারের মতো পিএসজির ঘরে এসেছে ব্যালন ডি’অর।

ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দিয়ে থাকে ফ্রেঞ্চ ফুটবল ম্যাগাজিন। তারা প্রথমে ৩০ জন ফুটবলারকে বাছাই করে পুরস্কারের জন্য। এরপর ১৮০ জন নির্বাচিত সাংবাদিকের ভোটে ৩০ জন থেকে কমিয়ে তালিকাটা ছোট করে আনা হয় পাঁচ জনে।

এরপর এ পাঁচ জনের মধ্য থেকে সেরা ফুটবলার বাছাই করা হয় ৫০ জন বিশেষ সাংবাদিকের ভোটে। এ জায়গায় পয়েন্ট সিস্টেম রাখা হয়। ভোটাররা তাদের পছন্দের সেরা ফুটবলারকে নাম্বার দেবেন ৬, এরপর ৪, ৩, ২ এবং ১ করে। একইভাবে নারী ফুটবলার, সেরা উদীয়মান এবং সেরা গোলরক্ষক নির্বাচন করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সপ্তম ব্যালন ডি’অর জিতলেন মেসি

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

প্রত্যাশিতই ছিল। সেটা যেন স্রেফ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হল। রেকর্ড সপ্তমবার পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতলেন ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসি। তাঁর সবথেকে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর থেকে জিতেছে দুটি বেশি ব্যালন ডি’অর। মেসিকে ঘিরে সেই উন্মাদনার মধ্যেই মহিলাদের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেন এবং বার্সেলোনার অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। বিশ্বের সেরা অনূর্ধ্ব-২১ খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন পেড্রি। বিশ্বের সেরা গোলকিপার হয়েছেন জিয়ানলুইজি দোনারুমা।

ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে মেসি পেছনে ফেলেছেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানদোস্কি ও রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি স্ট্রাইকার কারিম বেনজেমাকে। এবার এই লড়াইয়ে অনেক পিছিয়ে ছিলেন সময়ের আরেক অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। খবর স্কাই স্পোর্টস ও ইউরো স্পোর্টসের।

৩৪ বছর বয়সী মেসি বছরের প্রথম ভাগে বার্সেলোনার হয়ে ছিলেন দুরন্ত ফর্মে। এরপর আর্জেন্টিনার হয়ে জিতেছেন পরম আরাধ্য কোপা আমেরিকা শিরোপা। সেই আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সর্বোচ্চ এসিস্টদাতা ছিলেন মেসি। টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কারও উঠেছিল তাঁর হাতেই।

নানা নাটকীয়তা শেষে মেসি বার্সেলোনা ছেড়েছেন এরপর। নতুন ক্লাব পিএসজিতে এরই মধ্যে নিজেকে মানিয়েও নিয়েছেন তিনি। মেসির হাত ধরেই প্রথমবারের মতো পিএসজির ঘরে এসেছে ব্যালন ডি’অর।

ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দিয়ে থাকে ফ্রেঞ্চ ফুটবল ম্যাগাজিন। তারা প্রথমে ৩০ জন ফুটবলারকে বাছাই করে পুরস্কারের জন্য। এরপর ১৮০ জন নির্বাচিত সাংবাদিকের ভোটে ৩০ জন থেকে কমিয়ে তালিকাটা ছোট করে আনা হয় পাঁচ জনে।

এরপর এ পাঁচ জনের মধ্য থেকে সেরা ফুটবলার বাছাই করা হয় ৫০ জন বিশেষ সাংবাদিকের ভোটে। এ জায়গায় পয়েন্ট সিস্টেম রাখা হয়। ভোটাররা তাদের পছন্দের সেরা ফুটবলারকে নাম্বার দেবেন ৬, এরপর ৪, ৩, ২ এবং ১ করে। একইভাবে নারী ফুটবলার, সেরা উদীয়মান এবং সেরা গোলরক্ষক নির্বাচন করা হয়।