শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর খড়খড়িতে ছেলের হাতে মা খুন

রাজশাহীর খড়খড়ি কৃষি ব্যাংকের মোড় এলাকায় সুমন নামে এক ছেলে তার আপন মাকে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এলাকার মানুষ দেখতে পেয়ে হত্যাকারী সুমনকে পুলিশে খবর দিয়ে ধরিয়ে দেয়। এ বিষয়ে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

নিহত বিধবা মহিলার নাম সোহাগি বেগম (৫০)। তার দুই ছেলে ও একজন মেয়ে আছে।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দেয়া তথ্যমতে, সুমন তার মাকে হাসুয়া দিয়ে মেরে রাস্তায় টানতে টানতে নিয়ে আসে। তারপর খড়খড়ির মোড়ে অটো নিতে আসে তার মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার জন্য। পরবর্তীতে পরিস্থিতি দেখা স্থানীয়রা থানায় ফোন করলে সুমন বাসায় ঢুকে গেট লাগিয়ে দেয়। এরপর পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

স্থানীয় মোজাম্মেল হক জানান, সুমন নিয়মিত নেশা করতো। সে এলাকায় নিয়মিত ছোটখাট চুরিও করতো। সুমনের কাছে সব সময় হাসুয়া বা রামদা নিয়ে ঘুরতো বলেও জানান তিনি।

খড়খড়ি এলাকার রিপন জানান, মুলত নেশাগ্রস্ত হবার কারণেই এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রীমা থানার অফিসার ইনচার্জকে ফোন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি মর্মান্তিক। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রাজশাহীর খড়খড়িতে ছেলের হাতে মা খুন

প্রকাশিত সময় : ১০:৩১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীর খড়খড়ি কৃষি ব্যাংকের মোড় এলাকায় সুমন নামে এক ছেলে তার আপন মাকে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে রাখার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে এলাকার মানুষ দেখতে পেয়ে হত্যাকারী সুমনকে পুলিশে খবর দিয়ে ধরিয়ে দেয়। এ বিষয়ে এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

নিহত বিধবা মহিলার নাম সোহাগি বেগম (৫০)। তার দুই ছেলে ও একজন মেয়ে আছে।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দেয়া তথ্যমতে, সুমন তার মাকে হাসুয়া দিয়ে মেরে রাস্তায় টানতে টানতে নিয়ে আসে। তারপর খড়খড়ির মোড়ে অটো নিতে আসে তার মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার জন্য। পরবর্তীতে পরিস্থিতি দেখা স্থানীয়রা থানায় ফোন করলে সুমন বাসায় ঢুকে গেট লাগিয়ে দেয়। এরপর পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

স্থানীয় মোজাম্মেল হক জানান, সুমন নিয়মিত নেশা করতো। সে এলাকায় নিয়মিত ছোটখাট চুরিও করতো। সুমনের কাছে সব সময় হাসুয়া বা রামদা নিয়ে ঘুরতো বলেও জানান তিনি।

খড়খড়ি এলাকার রিপন জানান, মুলত নেশাগ্রস্ত হবার কারণেই এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রীমা থানার অফিসার ইনচার্জকে ফোন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি মর্মান্তিক। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।